ভারতের ঝাড়খণ্ডে মহররমের তাজিয়া মিছিল বের করার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে চারজন মারা গেছেন। গতকাল শনিবার প্রদেশটির বোকারো জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৬টায় মহররমের শোভাযাত্রা বের করার সময় লোহার রডে বিদ্যুতের হাই ভোল্টেজ তার লেগে যায়। এর ফলেই তড়িতাহত হন কয়েকজন।
বোকারোর পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট প্রিয়দর্শী অলোক প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে জানান, রাজ্যের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে পেটারওয়ার থানার সীমানার অধীনে খেতকো গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। শনিবার সকাল ৬টার দিকে তারা তাজিয়া মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁরা একটি ধর্মীয় পতাকা বহন করছিলেন, যা রডে সংযুক্ত ছিল। কোনোভাবে এটি ১১ হাজার ভোল্টের একটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসে। তখনই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।’
জখমদের চিকিৎসার জন্য বোকারোর একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের সূত্রে দাবি করা হয়েছে, জখম হয়েছেন ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।
গত মাসে উল্টোরথের যাত্রার সময় ত্রিপুরায় তড়িতাহত হয়ে প্রাণ হারায় সাতজন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তিনজন নারী ও তিন শিশু। আহত হয় ১৬ জন। এবার মহররমের শোভাযাত্রার সময়ও একইভাবে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে