
তীব্র বৃষ্টিতে ভারতের তামিলনাড়ুর দক্ষিণাঞ্চলের চার জেলাতেই বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার কারণে আক্রান্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, ব্যাংক, ব্যক্তিগত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আজ সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র বৃষ্টির কারণে রাজ্যের চার জেলা তিরুনেলভেলি, তুতিকোরিন, তেনকাসি ও কন্যাকুমারী জেলায় সাধারণ জীবন বিঘ্নিত হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, তুতিকোরিন জেলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যটি উদ্ধারকাজ ও উড়োজাহাজের মাধ্যমে খাবার সরবরাহের জন্য বিমানবাহিনীর সহায়তা চেয়েছে।
তুতিকোরিন জেলার থিরুচেন্দুর পৌরসভায় মাত্র ১৫ ঘণ্টায় ৬০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে আর তিরুনেলভেলি জেলায় হয়েছে ২৬ সেন্টিমিটার। এ ছাড়া কন্যাকুমারীতে ১৭ দশমিক ৩ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে আজ সোমবার ভারতে আক্রান্ত জেলাগুলোতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পাপানাসাম, পেরুঞ্জানি ও পেচুপারাই বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় তিরুনেলভেলি, তুতিকোরি ও কন্যাকুমারীতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমা হয়েছে। থামারাপরানী নদী বৃষ্টির পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। জেলা কালেক্টরদের বাধে পানির যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) আজও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে। কমোরিন এলাকায় একটি ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলছে।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন আজ ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের জন্য মন্ত্রী এবং সিনিয়র আমলাদের মোতায়েন করেছেন। এ ছাড়া একজন সিনিয়র আমলাকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা পর্যবেক্ষণের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। স্ট্যালিন জেলা কালেক্টরদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ত্রাণকেন্দ্র ও নৌকা প্রস্তুত রাখার এবং প্রয়োজনে দ্রুত মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিরুনেলভেলি ও তুতিকোরিন জেলায় জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) ৫০ সদস্যের দুটি দল এবং কন্যাকুমারী জেলায় রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এসডিআরএফ) তিনটি দল মোতায়েন করা হয়েছে। থুথুকুড়ি এবং পার্শ্ববর্তী শহর শ্রীভাইকুন্ডম এবং কায়ালপট্টিনামের মতো অঞ্চলগুলোর জন্য অতিরিক্ত নৌকা জড়ো করা হয়েছে। এসব জায়গা থেকে অন্তত ৭ হাজার ৫০০ মানুষকে সরিয়ে ৮৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কমন অ্যালার্ট প্রোটোকলের মাধ্যমে ৬২ লাখ মানুষকে এসএমএসে সতর্কতা পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলেদের দৃঢ়ভাবে ৪০ থেকে ৫৫ কিলোমিটারের বাতাসের গতির মধ্যে সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সাইক্লোন মিগজাউমের ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে উঠেনি চেন্নাই ও সংলগ্ন তিনটি জেলা। এখন তামিলনাড়ুর দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতেও বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মাসের ৩ ও ৪ তারিখে তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাই ও অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানে সাইক্লোন মিগজাউম।
তুতিকোরিনগামী ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে। তিরুনভেলিগামী ছেড়ে আসা মোট ১৭টি ট্রেন আংশিকভাবে বা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।

তীব্র বৃষ্টিতে ভারতের তামিলনাড়ুর দক্ষিণাঞ্চলের চার জেলাতেই বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার কারণে আক্রান্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, ব্যাংক, ব্যক্তিগত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আজ সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র বৃষ্টির কারণে রাজ্যের চার জেলা তিরুনেলভেলি, তুতিকোরিন, তেনকাসি ও কন্যাকুমারী জেলায় সাধারণ জীবন বিঘ্নিত হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, তুতিকোরিন জেলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যটি উদ্ধারকাজ ও উড়োজাহাজের মাধ্যমে খাবার সরবরাহের জন্য বিমানবাহিনীর সহায়তা চেয়েছে।
তুতিকোরিন জেলার থিরুচেন্দুর পৌরসভায় মাত্র ১৫ ঘণ্টায় ৬০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে আর তিরুনেলভেলি জেলায় হয়েছে ২৬ সেন্টিমিটার। এ ছাড়া কন্যাকুমারীতে ১৭ দশমিক ৩ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে আজ সোমবার ভারতে আক্রান্ত জেলাগুলোতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পাপানাসাম, পেরুঞ্জানি ও পেচুপারাই বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় তিরুনেলভেলি, তুতিকোরি ও কন্যাকুমারীতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমা হয়েছে। থামারাপরানী নদী বৃষ্টির পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। জেলা কালেক্টরদের বাধে পানির যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) আজও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে। কমোরিন এলাকায় একটি ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলছে।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন আজ ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের জন্য মন্ত্রী এবং সিনিয়র আমলাদের মোতায়েন করেছেন। এ ছাড়া একজন সিনিয়র আমলাকে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা পর্যবেক্ষণের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। স্ট্যালিন জেলা কালেক্টরদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ত্রাণকেন্দ্র ও নৌকা প্রস্তুত রাখার এবং প্রয়োজনে দ্রুত মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিরুনেলভেলি ও তুতিকোরিন জেলায় জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) ৫০ সদস্যের দুটি দল এবং কন্যাকুমারী জেলায় রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এসডিআরএফ) তিনটি দল মোতায়েন করা হয়েছে। থুথুকুড়ি এবং পার্শ্ববর্তী শহর শ্রীভাইকুন্ডম এবং কায়ালপট্টিনামের মতো অঞ্চলগুলোর জন্য অতিরিক্ত নৌকা জড়ো করা হয়েছে। এসব জায়গা থেকে অন্তত ৭ হাজার ৫০০ মানুষকে সরিয়ে ৮৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কমন অ্যালার্ট প্রোটোকলের মাধ্যমে ৬২ লাখ মানুষকে এসএমএসে সতর্কতা পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলেদের দৃঢ়ভাবে ৪০ থেকে ৫৫ কিলোমিটারের বাতাসের গতির মধ্যে সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সাইক্লোন মিগজাউমের ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে উঠেনি চেন্নাই ও সংলগ্ন তিনটি জেলা। এখন তামিলনাড়ুর দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতেও বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মাসের ৩ ও ৪ তারিখে তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাই ও অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানে সাইক্লোন মিগজাউম।
তুতিকোরিনগামী ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে। তিরুনভেলিগামী ছেড়ে আসা মোট ১৭টি ট্রেন আংশিকভাবে বা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছে। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৩ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নানাবিধ বিধিনিষেধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বেড়েছে। গত শুক্রবার হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। বাণিজ্য
৩ ঘণ্টা আগে