বিধিনিষেধ শিথিলের পর চীনে নতুন করে বেড়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু। চলতি সপ্তাহে করোনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেছে পাঁচজনের। এর আগের দিন মারা যান আরও দুজন।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন ও ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে করোনা মহামারিতে এ পর্যন্ত ৫ হাজার ২৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর মোট আক্রান্ত ৩ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনার উপসর্গসহ ২ হাজার ৭২২ জন রোগী শনাক্ত হয়। শনাক্তদের মধ্যে অধিকাংশই স্থানীয় বাসিন্দা। তবে সম্প্রতি দেশটিতে ‘জিরো কোভিড-নীতি’ শিথিল করার পর গণহারে করোনা পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা কম পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে এই শীতকালে চীনে অন্তত তিনটি করোনার ঢেউ আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন দেশটির একজন শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, তিনটি ঢেউয়ের প্রথমটি এখন চলছে।
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ উ জুনিয়উ বলেছেন, করোনা সংক্রমণের বর্তমান ঢেউটি জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে পারে। দ্বিতীয় ঢেউটি জানুয়ারির ২১ তারিখ থেকে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ওই সময়ে চীনা নববর্ষ উদ্যাপন শুরু হবে এবং লাখ লাখ মানুষ ছুটি কাটাতে পরিবার নিয়ে ভ্রমণে বের হবে।
সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ সম্পর্কে উ জুনিয়উ বলেছেন, এটি ফেব্রুয়ারির শেষে থেকে মার্চের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত স্থায়ী হবে। কারণ বেশির ভাগ মানুষ তখন ছুটির পর কাজে যোগ দেবে।
সম্প্রতি দেশজুড়ে বিক্ষোভের মুখে করোনা সম্পর্কিত কঠোর বিধিনিষেধ তুলে নেয় চীনা কর্তৃপক্ষ। এর পর থেকে নতুন করে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে দেশটিতে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে