
করোনাভাইরাসের মহামারির স্বাস্থ্যগত, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অভিঘাত এখনো অনুভূত হয় বিশ্বজুড়ে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার তো সম্ভব হয়েছে, কিন্তু আক্রান্তদের মধ্যে বেঁচে যাওয়া অনেকেই এই মহামারির ক্ষত দেহ-মনে বয়ে বেড়াচ্ছেন এখনো। এর মধ্যেই দুটি ভাইরাস চোখ রাঙাচ্ছে। একটি হান্টাভাইরাস। অপরটি ইবোলা ভাইরাস।

২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস মোকাবিলায় টিকাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানি ও ক্রয়ে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে টিকা কেনা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকার।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজার ৩০০ জনের বেশি যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি। ২০১১ সালের পর এটিই দেশটিতে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড। করোনাপরবর্তী ভ্রমণ ও অভিবাসন বৃদ্ধি, বিভিন্ন রাজ্যে রোগের প্রাদুর্ভাব এবং জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠা এই বৃদ্ধির প্রধান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর হামলা জোরদার করেছে ইরান। এতে আকাশপথে চলাচলের অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। থমকে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ। গত শনিবারের পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। করোনাভাইরাসের মহামারির পর উড়োজাহাজ চলাচলে এত বড় বিপর্যয় আর দেখা যায়নি।