আফ্রিকায় শনাক্তের পর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন। এ পর্যন্ত মোট ৭৭টি দেশে এই ধরন ছড়িয়ে পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম এক সংবাদ সম্মেলনে আশঙ্কা করে বলেছেন, এখনো হয়তো অনেক দেশে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে, কিন্তু শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
টেড্রোস উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘করোনার এই নতুন ধরনকে এখনো আমরা অবমূল্যায়ন করছি। এটি মোকাবিলার জন্য এখনো যথেষ্ট পরিমাণে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, যদিও ওমিক্রন কম গুরুতর রোগের কারণও হয়, তবু এই ভাইরাসে আক্রান্তের হার আবার অপ্রস্তুত স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ছাপিয়ে যেতে পারে।
টিকার বুস্টার ডোজ প্রসঙ্গে টেড্রোস বলেন, অনেক দেশ বুস্টার ডোজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, কিন্তু বুস্টার ডোজ দিলেই যে ওমিক্রন থেকে মুক্তি মিলবে এমন প্রমাণ এখনো নেই।
টেড্রোস আধানম আরও বলেন, ‘ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে মানেই মাস্ক নয়, ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে মানেই সামাজিক দূরত্ব নয়, এমনটি ভাবলে চলবে না। করোনা-সংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ সমানভাবে মেনে চলতে হবে।’
করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। পরে তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার তুলনায় আমেরিকায় বেশি হারে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ডেলটা। ডেলটার প্রভাব যেসব দেশে বেশি ছিল, সেই সব দেশেই বেশি ছড়িয়েছে ওমিক্রন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হলে ডেলটাকেও ছাড়িয়ে যাবে ওমিক্রন।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে