
শতাধিক খাদ্যপণ্য আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুল্ক আরোপের সময় এর প্রভাব নাগরিকদের ওপর তেমন একটা পড়বে না বলে দাবি করলেও পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। আর এ কারণে শুল্ক প্রত্যাহারের এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসের ছাড়পত্রের তালিকাভুক্ত শতাধিক পণ্যের মধ্যে রয়েছে চা, কফি, কলা, গরুর মাংস, সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক খাদ্যদ্রব্য। গতকাল শুক্রবার এ ঘোষণার পর ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, এই পণ্যগুলো দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের খাদ্যপণ্যের নতুন শুল্ক ছাড় স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে প্রত্যাহারমূলে কার্যকর হবে।
দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্প তাঁর শুল্ক আরোপনীতির পক্ষে সাফাই গাইছিলেন যে, এই শুল্ক আরোপ দেশের অভ্যন্তরে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হবে না। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন, মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে শুল্ক আরোপ প্রয়োজন।
ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রতারকদের’ দ্বারা শোষিত হয়েছে এবং বিদেশিদের দ্বারা ‘লুণ্ঠিত’ হয়েছে। উচ্চ শুল্ক আরোপের ফলে মার্কিন নাগরিকেরা দেশীয় পণ্য কেনার দিকে উৎসাহিত হবে।
কিন্তু পরিস্থিতি বলছে উল্টো কথা। যেভাবে পণ্যের দাম বাড়ছে তাতে এখন এটি রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প মাংস-প্যাকিং শিল্পের তদন্তের দাবি জানান। তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘অবৈধ চক্রান্ত, মূল্য স্থিরকরণ, ও মূল্যমান নিয়ন্ত্রণ’ করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।
গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হয় না এমন পণ্যের জন্য এ সিদ্ধান্ত। তাই দেশীয় শিল্প বা খাদ্যপণ্যের ওপর এর প্রভাব পড়বে না।
ভবিষ্যতে আরও নীতিমালা প্রত্যাহারের প্রয়োজন হবে কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না এটি প্রয়োজন হবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা শুধু কিছু খাদ্যপণ্যের ওপর সামান্য শুল্ক প্রত্যাহার করেছি। যেমন কফি—কফির দাম কিছুটা বেশি ছিল। এখন খুব অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো কম দামে পাওয়া যাবে।’
মুদি পণ্যের দামের বিষয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগ দূর করার আরেকটি পদক্ষেপে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, চারটি ল্যাটিন আমেরিকান দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে কফি ও কলার ওপর আমদানির কর কমানো হবে।
এ সপ্তাহে ট্রাম্প এবং ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট দুজনেই এই বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কফির দাম ২০ শতাংশ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বাড়তি শুল্কের খরচ আমদানিকারকেরা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে এমন সতর্ক বার্তা অর্থনীতিবিদেরা আগেই দিয়েছিলেন। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি অনেক বিশ্লেষকের প্রত্যাশার তুলনায় কম থাকলেও, শ্রম বিভাগের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনে বেশিরভাগ পণ্যের দামের বৃদ্ধি দেখা গেছে, যেখানে মুদি দোকানের পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।
যেসব পণ্যে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলো হলো—কফি; কোকো; ব্ল্যাক টি ও গ্রিন টি; ভ্যানিলা বিন; গরুর মাংস ও এ জাতীয় পণ্য; অ্যাভোকাডো, কলা, নারিকেল, জাম্বুরা, লেবু, কমলা, আম, আনারসসহ বিভিন্ন ধরনের ফল; মরিচ; টমেটো; এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, ধনেপাতা, জিরা, কারি, আদা, জায়ফল, ওরিগানো, পাপড়িকা, জাফরান ও হলুদসহ সব ধরনের মসলা; বার্লি, ব্রাজিল বাদাম, ক্যাপারস, কেসু, চেস্টনাট, ম্যাকাডামিয়া বাদাম, মিসো, পাম হার্টস, পাইনের বাদাম, পপি সিড, তাপিওকা, তাড়োসহ বিভিন্ন ধরনের বাদাম, শস্য, মূল ও বীজ।

তেলের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশেরও বেশি এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেহরানের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর অধিকাংশ বড় তেল কোম্পানি, ট্যাংকার মালিক এবং ট্রেডিং হাউজ এই রুট দিয়ে
৯ ঘণ্টা আগে
জাহাজ ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম মেরিন ট্রাফিকের তথ্যের ভিত্তিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অন্তত ১৫০টি বিশালাকার ট্যাংকার এখন হরমুজ প্রণালির বাইরে খোলা সমুদ্রে নোঙর ফেলে অবস্থান করছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি বাহী জাহাজের সংখ্যাই বেশি। এ ছাড়া প্রণালির অপর প্রান্তেও কয়েক ডজন জাহাজ স্থির
১৩ ঘণ্টা আগে
তেলসমৃদ্ধ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বিশ্ববাজারে তেলের দামে এ ঘটনার বড় ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, আগামীকাল সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিন বিশ্ববাজারে লেনদেন শুরু হতেই তেলের দাম ৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিভাগ সমিতি ঢাকার উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার বাদ আসর রাজধানীর বিআইএম হলরুমে আনন্দঘন পরিবেশে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় বসবাসরত রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দেড় শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
১৩ ঘণ্টা আগে