ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে ডুবে দুই শিশু মারা গেছে। সোমবার ঠাকুরগাঁও উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও নিহতদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, রোববার (৩১ আগস্ট) তিন বছর বয়সী আয়েশা আক্তার মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। সোমবার দুপুরে আয়েশা তার পাঁচ বছর বয়সী মামাতো বোন সাউদা আক্তারের সঙ্গে পুকুরের পাশে খেলতে যায়। হঠাৎ আয়েশা ও সাউদার পা পিছলে পুকুরে পড়ে যায় এবং দুজনেই ডুবে মারা যায়।
নিহত সাউদা আক্তার কৃষ্ণপুর গ্রামের জাহিদ হাসানের মেয়ে। আর আয়েশা আক্তার জেলা সদরের ঢোলারহাট পুরাতন ঠাকুরগাঁওয়ের আহসান হাবীবের মেয়ে।
নিহত আয়েশার বাবা আহসান হাবীব জানান, ‘দুজনকে অনেকক্ষণ না দেখতে পেয়ে খুঁজে বের করার সময় বাসার পাশের পুকুরে আয়েশাকে ভাসতে দেখেছি। পরে সাউদাকেও পুকুরে খুঁজে বের করে দ্রুত ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।’
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান বলেন, এটি একটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। মূলত পরিবারের সতর্কতার অভাবের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে