
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাছ ধরার ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার নলিন থেকে সোনামুই পর্যন্ত যমুনা নদীতে এ অভিযান চালানো হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তুহিন হোসেন। অভিযানে সহায়তা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তর।
নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। অভিযানের সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাজমুল হাসান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ কুমার দে, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান সম্পর্কে ইউএনও মো. তুহিন হোসেন বলেন, জাটকা সংরক্ষণে কারেন্ট জাল, চায়না জালসহ সব ধরনের নিষিদ্ধ জাল অপসারণে নিয়মিত অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে