
শেরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১২ ইটভাটামালিকের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বুধবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সুশীল দাস।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শহরের খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর মোড়ে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজে ব্যবহৃত পরিবেশ অধিদপ্তরের গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।
জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উচ্চ আদালতের নির্দেশে বেশ কয়েক দিন ধরে শেরপুরে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে কাজ করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের টিম ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বের হয়।
এ খবর পেয়ে শহরের খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর মোড় এলাকায় ঝিনাইগাতী-শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন ভাটার শ্রমিকেরা। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বের হওয়ার সময় শহরের খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর মোড়ে গাড়িগুলো আটকে দেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সুশীল কুমার দাস জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশে শেরপুরে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে শ্রমিকেরা সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় ১২ ইটভাটামালিকের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগ এনে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের সরকারি কাজে বাধাদানের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের দেওয়া অভিযোগ পেয়েই আমরা অভিযান অব্যাহত রেখেছি। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা সম্ভব হয়নি। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান।’
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলা খুবই ন্যক্কারজনক বিষয়। মামলার গতিতে মামলা চলবে। সেই সঙ্গে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা পালন করতে অবৈধ ইটভাটার ওপর অভিযান চলমান থাকবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে