কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শিশুসহ তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছেন স্থানীয়রা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নাগেশ্বরী পৌরসভার বাঁশেরতল বাজার সংলগ্ন এলাকায় কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপ কুমার সরকার।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাইক্রোবাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছেন।’
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, কুড়িগ্রাম থেকে ভূরুঙ্গামারীগামী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ ৯ জন আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার পর মাইক্রোবাসের চালক পালিয়ে গেছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে