
বগুড়ার শেরপুরে জুয়ার আসর থেকে আনোয়ার হোসেন (৪৮) নামের এক কৃষক লীগ নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার সুঘাট ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং দড়িহাসড়া গ্রামের বাসিন্দা।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের কদিমহাসড়া গ্রামের বিমল চন্দ্রের বাড়িতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার (২৩ মার্চ) দুপুরের পর তাঁকে বগুড়ার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
শেরপুর থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আনোয়ার হোসেনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপর তিনজন হলেন দড়িহাসড়া গ্রামের খলিলুর রহমান (৫২), আবদুস সাত্তার (৫০) ও খিদির হাসড়া গ্রামের মো. সোলায়মান (৫০)। জুয়ার আসর থেকে ১ হাজার ৪৯০ টাকা এবং এক সেট পুরাতন তাস জব্দ করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি আনোয়ার হোসেনকে গত বছরের ২ নভেম্বর দায়ের করা একটি বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
২০২৩ সালের ১৭ জুলাই শহরের ধুনট রোড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রিফাত সরকার নামের এক ব্যক্তি গত ২ নভেম্বর থানায় মামলা করেন। পুলিশের তদন্তে ওই হামলায় আনোয়ার হোসেনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় আনোয়ার হোসেন এজাহারভুক্ত আসামি নন, তবে তদন্তে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
৩৭ মিনিট আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
১ ঘণ্টা আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
২ ঘণ্টা আগে