
কৃষকদের ভাষ্য, এ বছর প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ ও কীটনাশকে ব্যয় বেড়েছে। অথচ জাতভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা কেজিতে। হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় সংরক্ষণ নিয়েও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

মৌলভীবাজারে বোরো আবাদের ভর মৌসুমে সেচের তীব্র সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। পানির অভাবে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা যাচ্ছে না। আর যাঁরা আবাদ করেছেন, এমন অন্তত ৬০ হাজার কৃষক পর্যাপ্ত সেচ না পেয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা গ্রামের কৃষক মোস্তফা। চলতি বোরো মৌসুমে ধান চাষ করেছেন পাঁচ বিঘা জমিতে। মাসখানেক আগে রোপণ করা এসব চারা লালচে হয়ে যায়। জমিতে সার না দিলে থোড় আসবে না। তাই গত মঙ্গলবার সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে জমিতে ইউরিয়া, টিএসপি, দস্তাসহ তিন ধরনের সার ছিটাচ্ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। এই নিয়ে আনন্দের কমতি ছিল না কৃষকদের মধ্যে। তবে বাজারে দামে ধস নেমেছে। উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, তুলনামূলক কম দামেও আলু বিক্রি করতে পারছেন না কৃষকেরা। অনেক এলাকায় ৬০ কেজির এক বস্তা আলু ২০০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে না।