
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ। যা বিক্রি হয়েছে ৭০ হাজার টাকায়।
আজ মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের অদূরে পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় জেলে শওকত হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শহজাহান শেখ বলেন, ‘সকালে জেলে শওকত হালদার মাছটি দৌলতদিয়ার আনু খাঁর আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ওজন দিয়ে দেখে মাছটি ২৮ কেজি। পরে উন্মুক্ত নিলামে ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে মোট ৬৭ হাজার ২০০ টাকা কিনে নিই।’
সম্রাট শহজাহান শেখ আরও বলেন, ‘মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে ৭০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।’
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, পদ্মা ও যমুনার মোহনায় খাদ্যের প্রাচুর্য বেশি। এ ছাড়া পানির গভীরতা বেশি থাকায় বড় বড় মাছ সেখানে বিচরণ করে। ফলে মাঝেমধ্যে জেলেদের জালে বড় বড় মাছ আটকা পড়ে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে