
পঞ্চগড় সদরের ভিতরগড় সীমান্তের সুইডাঙ্গা এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নীলফামারী ৫৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত যুবকের নাম আল আমিন (৩৬)। তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলার হরিভাষা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে আল আমিনসহ কয়েকজন যুবক সীমান্তে গরু আনতে যান। তাঁরা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফের ভাটপাড়া ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা গুলি করেন। এ সময় অন্যরা পালিয়ে আসতে পারলেও আল আমিন গুলিতে নিহত হন। পরে বিএসএফ তাঁর লাশ নিয়ে যায়।
বিজিবি কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা বলেন, বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে মরদেহ ফেরতের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে