পাবনার ঈশ্বরদীতে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে এক স্কুলছাত্রকে (৮) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের বড়ইচরা স্কুলপাড়া গ্রামে নির্জন একটি লিচুর বাগানে এ ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে ওই গ্রামের আব্দুর রহিম (৬০) নামের এক অটোচালককে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, গ্রামের প্রতিবেশী আব্দুর রহিম বেশ কিছুদিন ধরে সুযোগ পেলেই নানান অছিলায় তাঁর শিশুপুত্রকে কাছে টেনে আদর করত। এরই মধ্যে ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা আনুমানিক আড়াইটার দিকে তাঁর শিশুপুত্র বাড়ির নিকটবর্তী একটি দোকানে ডিম কিনতে যায়।
এ সুযোগে আব্দুর রহিম তাঁর ছেলেকে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে অদূরে নির্জন একটি লিচুর বাগানে নিয়ে যায় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ (বলাৎকার) করে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাছে সবকিছু বলে দেয়।
পরিবারের সদস্যরা তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার জমা দেওয়া হয়।
বিষয়টি সম্পর্কে আজ দুপুরে মোবাইল ফোনে শিশুটির বাবা জানান, ঘটনার পর থেকে তাঁর শিশুপুত্র মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। কারও সঙ্গে সে খুব একটা কথা বলছে না। বাড়ির বাইরে খেলতেও যাচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, এজাহার জমা দেওয়ার একদিন পরেও অভিযুক্ত আব্দুর রহিমকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। বরং এজাহার তুলে না নিলে ‘দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি’ দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রহিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আব্দুন নূর জানান, এ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ তিনি হাতে পেয়েছেন। তদন্তের জন্য শুক্রবার রাতেই থানার এক কর্মকর্তাকে নিযুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পরপরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে