
লালমনিরহাটে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে সদর উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মেহের আলী (৫৫)। তিনি গোকুন্ডা ইউনিয়নের কাশিরঝাড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশাদার চোর এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক নারী নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ওই মেয়ে শিশুটি আলু তোলার জন্য খেতে যাচ্ছিল। এ সময় মেহের তাকে আটক করে তামাকখেতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে মেহেরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরনবী জানান, অভিযুক্ত মেহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সত্যতা পাওয়া গেছে। খুব দ্রুত তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে