
যশোরের শার্শার উলাশী ইউনিয়নে দুস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি চালের বস্তা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছ। আজ শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে শার্শা থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে এঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শার্শার ধলদাহ গ্রামের রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে মিজানুর বিশ্বাস ও মোসলেম বিশ্বাসের ছেলে লাল্টু বিশ্বাস। এঁরা এলাকায় বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
এর আগে বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে উলাশী ইউনিয়নে হতদরিদ্র নারীদের কাছ থেকে সরকারি বরাদ্দের চাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
উলাশী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সমবায় কর্মকর্তা আব্দুর রাশেদ জানান, উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের ধলদা মোড়ে ভিডব্লিউভি তালিকাভুক্ত প্রত্যেক নারী সদস্যকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তিন বস্তা করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। নারীরা নিজ দায়িত্বে ভ্যান করে চাল বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ধলদা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইয়ানুর, রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে মিজানুর বিশ্বাস, সুরত আলীর ছেলে মশিয়ার এবং আতিয়ার বিশ্বাসের ছেলে রফিকুল ভ্যান থামিয়ে দুই থেকে তিন বস্তা করে চাল ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ ওঠে এবং এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নাজমুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
শার্শা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আমিনুর রহমান নেদা দাবি করেছেন, অভিযুক্তরা কেউ তাঁর লোক না। কেবল বিএনপি পরিবারের সদস্য। তাঁদের দলে কোনো পদও নেই। চাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ শোনার পর শুক্রবার সকালে গ্রামে দলের সভা ডাকা হয়। পরে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম বরিউল ইসলাম বলেন, সরকারি চাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ দুজনকে গ্রেপ্তার করে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত চাল নারীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে