গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কীটনাশক পানে ৫ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ শিশুরা হচ্ছে বাড়াইপাড়া গ্রামের গোলাম আযমের ছেলে আবু বক্কর (৪), হবিবর রহমানের ছেলে তামিম মিয়া (৩), হামিদুলের মেয়ে মরিয়ম আক্তার (৪), হাবিলের ছেলে নাজিম মিয়া (৪) ও জেলালের মেয়ে জাফরিন আক্তার (৩)।
এলাকাবাসী ও অসুস্থ শিশুদের পারিবারের সদস্যরা জানান, সকালে একই গ্রামের জনৈক হামিদুল ইসলাম পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষায় তার ফসলি জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। এরপর পরিত্যক্ত কীটনাশকের বোতল নিজ ঘরের বেড়ার সঙ্গে ঝুলে রাখেন।
বিকেলে প্রতিবেশী ৫ শিশু খেলার সময় কৌতুহল বশত: বোতলে আটকে থাকা অবশিষ্ট কীটনাশক নখ দিয়ে বের করে মুখে দেয়। এতে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।
স্বজনরা বিষয়টি টের পেয়ে ৫ শিশুকে উদ্ধার করে সন্ধ্যার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
বিষয়টি নিশ্চিতই করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ইউএইচও) ডা. মুহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, ‘কীটনাশক পানে অসুস্থ ৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তারা শঙ্কামুক্ত।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে