
দিনাজপুরের হাকিমপুরে নছিমনের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার ভেলুপাড়া বটতলীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, হাকিমপুরে বিরামপুর-হাকিমপুর সড়কের রেলস্টেশন ডাঙ্গাপাড়া এলাকা অতিক্রম করে ভেলুপাড়া বটতলীতে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা গরুবোঝাই একটি নছিমন মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী নছিমনের নিচে চাপা পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান।
নিহত একজন হলেন জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামের ধীরাজ কুমার ঘোষের ছেলে বিমান কুমার ঘোষ (৩০)। অপরজন তাঁর বন্ধু, তবে নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। মোটরসাইকেলে হাকিমপুর থেকে তাঁরা বিরামপুরের দিকে যাচ্ছিলেন।
পরে খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা-পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নছিমনচালক পলাতক রয়েছেন।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, ‘ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় গরুবোঝাই নছিমনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে