
চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে উবারচালককে আটক করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র মুহাম্মাদ তালেবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি ঢাকার হাতিরঝিলে রাইড শেয়ারিং অ্যাপস উবারে ওই চালকের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের শিকার হন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনায় গতকাল শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রামপুরা থানায় একটি মামলা করেন। আজ রোববার সকালে সেই গাড়িচালককে আটক করে রামপুরা থানা-পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি। সাধারণ ডায়েরিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় অ্যাপসের মাধ্যমে গাড়ি ডাকেন। বনশ্রীর বাসায় মো. রকি নামের একজন চালক টয়োটা করোলা এক্সিও ঢাকা মেট্রো-গ ৪৫২৯৭৮ নম্বরের একটি গাড়ি নিয়ে হাজির হন। এরপর গাড়িটি ধানমন্ডি যাওয়ার কথা থাকলেও তা গুলশানের দিকে নিয়ে যেতে চান চালক। এ নিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি হয়। বাঁচাও বাঁচাও বলে ডাকলেও গাড়ি থামাননি সেই চালক।
এ প্রসঙ্গে নিঝুম রুবিনা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার স্বামী গ্রামের বাড়ি গিয়েছে, যে কারণে নিজের গাড়ি রেখেই বের হতে হয়। কারণ, আমি ড্রাইভিং পারি না। যে কারণে রাইড শেয়ারিং কল করি বনশ্রী থেকে ধানমন্ডি যাব। চালক হাতিরঝিলে উঠে সরাসরি ধানমন্ডির রোডে না ঢুকে গুলশানের দিকে প্রবেশ করে। জানতে চাইলে বলে, “আপনার লোকেশনেই যাচ্ছি, চুপ থাকেন।” মঙ্গলবার রাস্তা ফাঁকা, তারপরও সে গুলশান রোডে ঢুকেছে। তখন তার গাড়ির স্পিড ৮০ থেকে ১০০। অনেক হাই স্পিডে গাড়ি টেনে যাচ্ছিল। বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহ লাগে। তাকে বলি, “আমাকে এখানেই নামিয়ে দেন।” তখন সে আমাকে বলল, “চুপ থাক। কোনো কথা বলবি না।” তারপর আমি গাড়ির গ্লাস খুলে বাঁচাও বাঁচাও করে চিৎকার শুরু করি। কারও সাড়া পাইনি। একটা পর্যায়ে গাড়ির গতি একটু কম মনে হলে লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যাই।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে