
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে ককটেল বিস্ফোরণে আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বিমানবন্দর গোলচত্তরসংলগ্ন মূল গেটে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আনসার সদস্য মোহাম্মদ মুজাহিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখানে দাঁড়িয়ে গাড়ি তাড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ একটা ককটেল পায়ের পাশে ঠাস করে ব্লাস্ট হয়েছে। আমার হাত পা স্তব্ধ হয়ে গেছে। আমি ডান পায়ে কোনো জোর পাচ্ছি না।’
প্রতক্ষদর্শীরা জানান, বিআরটি উড়াল সেতুর উপর থেকে একটি ককটেল ছোড়া হয়। সেটি মূল গেটে কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের ছাউনির ঠিক সামনেই ফুটেছে।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসারের এপিসি চন্দ্র শেখর মন্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিমানবন্দরের প্রবেশ গেটে আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম। হটাৎ করেই বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। আমাদের একজন আহত হন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে