রাজধানীর বংশালে ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় ফাস্ট ফুডের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনে ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন। গতকাল সোমবার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বংশালের বাংলাদেশ মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—ফাস্ট ফুড দোকানের মালিক নয়ন (২৯), সাগর (২৫), ইকবাল (৩১), হাসান (২৮), রিমঝিম (১৬) ও অপূর্ব (১৮)। তাদের সবাইকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দোকানের মালিক নয়নের বাবা মো. সেলিম জানান, তার ছেলে নয়ন এক মাস ধরে ফাস্ট ফুডের ভ্রাম্যমাণ দোকান চালাচ্ছিলেন। ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ মাঠে অস্থায়ী দোকান বসিয়েছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ গ্যাসের লাইন লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়, এতে নয়নসহ ছয়জন দগ্ধ হন। তবে গ্যাস সিলিন্ডারটি অক্ষত রয়েছে বলে জানান তিনি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আগুনে দগ্ধ হয়ে ছয়জন হাসপাতালে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে সাগরের শরীরের ১১ শতাংশ অংশ পুড়েছে এবং শ্বাসনালি দগ্ধ হয়েছে, তাই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। বাকিদের আঘাত তুলনামূলক কম হওয়ায় তাঁদের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।
দগ্ধদের অবস্থা জানতে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং রোগীদের খোঁজখবর নেন।

মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
৭ মিনিট আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে