
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলা, দোকান ঘর ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা আপেলকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (১০ মার্চ) রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আপেল ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলার কুটিচন্দ্রখানা গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর আপেল দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। গতকাল রাতে তিনি বাড়িতে ফিরেছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। পরে গত ৪ আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটে ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁকে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে