
রাজধানীর মহাখালী আমতলীতে একটি পেট্রল পাম্পে বিস্ফোরণে অন্তত ৭ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদেরকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টার দিকে মহাখালী আমতলি গুলশান পেট্রল পাম্পে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন—গুলশান ক্লিন অ্যান্ড কেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী স্বপন মোল্লা (২৪), কবির (১৮), রুবেল (২৮) ও খাইরুল (২৮)।
অন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠানের মালিক মাসুদুর রহমান (৪৪), কর্মচারী আলমগীর হোসেন (৪০) ও সজিব (৩১)।
দগ্ধ স্বপন মোল্লা জানান, আমতলী ওই পেট্রল পাম্পের ট্যাংকি পরিষ্কার করার জন্য তাদেরকে সেখানে নেওয়া হয়েছিল। ট্যাংকির তেল সব বের করা হয়। এরপর ভেতরে নেমে পরিষ্কার করার আগে বৈদ্যুতিক ফ্যান দিয়ে ভেতরের গ্যাস বের করছিলেন। একপর্যায়ে যখন বৈদ্যুতিক ফ্যান বন্ধ করতে যান তখনই ভেতরে একটি বিস্ফোরণ হয়। এতে আশপাশে থাকা ওই ৭ জনের শরীরের বিভিন্ন জায়গা ঝলসে যায়।
সঙ্গে সঙ্গে তাঁদেরকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। তবে আগুন তখনই নিভে গেছে বলে জানান তাঁরা।
বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা জানান, ৭ জনকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশন রাখা হয়েছে। তাদের শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। তবে কার কত শতাংশ পুড়েছে তা কিছুক্ষণ পর বলা যাবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে