রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রূপনগর এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন মোহাম্মদ রাজু মিয়া (২৮)। তিনি কামরাঙ্গীরচরের রূপনগরের মৃত সুলতান মিয়ার ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা ভুক্তভোগীকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি ১১ বছর বয়সী শিশুকে প্রতিবেশী রাজু মিয়া ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর ১৫ জানুয়ারি পুনরায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেন আসামি।
এ ঘটনায় ওই বছরের ২৫ জানুয়ারি কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের হয়। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১০ মে কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই মোস্তাকিম কবির আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালে মোট ৮ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে