রাজধানীর ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টারে অটোরিকশায় তরুণীকে অশোভন অঙ্গভঙ্গি করার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, গত ১৪ এপ্রিল সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের এক শিক্ষার্থী তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, অটোরিকশায় তাঁর মুখোমুখি বসা এক বয়স্ক ব্যক্তি বারবার অশোভন অঙ্গভঙ্গি করছেন।
ওই ছাত্রী জানান, তিনি ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার থেকে বড়ভাঙ্গা যাওয়ার জন্য অটোরিকশায় ওঠেন এবং সে সময় এ ঘটনা ঘটে। অটোরিকশা থেকে নামার পর তিনি এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ওই বৃদ্ধ ঘটনাটি অস্বীকার করেন।
পুলিশের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, এরই মধ্যে ভিডিও দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে এবং গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে হটলাইন চালু রয়েছে। হটলাইন নম্বরগুলো হলো—০১৩২০০০২০০১,০১৩২০০০২০০২, ০১৩২০০০২২২২। এ নম্বরগুলো দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কার্যকর থাকে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে