
ঢাকার দোহারে শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চে বসা নিয়ে বিরোধের জেরে এক কিশোর দুই সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত করেছে। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে লটাখোলা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজন হলো চর লটাখোলার আউয়াল ব্যাপারীর ছেলে রাব্বি ও একই এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে ইউসুফ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেঞ্চে বসা নিয়ে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে এক ছাত্র দুই সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ইউসুফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। অভিযুক্তকে আটকের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে