
চট্টগ্রামে পুলিশের পাহারায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল থেকে পালানো ১৩ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি একজন জলদস্যু বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রফিক উল্লাহ (৩৪)। তিনি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মফিজুর রহমানের ছেলে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রফিককে তাঁর বোনের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইন্যাখালী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে নগরের পাঁচলাইশ থানার পুলিশ। রফিকের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের মহেশখালী থানায় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আইনে ১৩টি মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলায়মান আজকের পত্রিকাকে জানান, গত ২৩ মার্চ রফিক উল্লাহকে পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অর্থো সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তিনি ১৭ মার্চ মহেশখালী থানার অস্ত্র আইনের একটি মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
মোহাম্মদ সোলায়মান আরও জানান, গত ১৫ এপ্রিল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত সোলায়মান হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। গত বুধবার দুপুরে হাসপাতালের অর্থোপেডিকস অ্যান্ড ট্রমাটোলজি বিভাগ থেকে ছাড়পত্র নেওয়ার সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় পুলিশ আরেকটি মামলা করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্তের পর সোলায়মানকে তাঁর বোনের শ্বশুরবাড়ি পেকুয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে আদালতের মধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা রোববার সারা রাত অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে শাহজাদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৭ মিনিট আগে
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল।
১৩ মিনিট আগে
তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তাঁর ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা।
২৩ মিনিট আগে
প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
১ ঘণ্টা আগে