
কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্ট মার্টিনসংলগ্ন গভীর সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে মানব পাচারকারী অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দী থাকা নারী, শিশুসহ ১৫৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। আজ রোববার (১ মার্চ) বিকেলে কোস্ট গার্ডের গণমাধ্যম

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যসহ ১৯ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে এন আলম এলপিজি গ্যাসপাম্পে প্রথম দফায় আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তে ভয়াবহ রূপ নেয়।

তিন দিন আগে উত্তর ধুরুং আকরবলী ঘাটের জসিম উদ্দিনের মালিকানাধীন এফবি আজুফা আকতার মানু নামের একটি নৌযান ১৯ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে যায়। বুধবার দুপুরে জলদস্যুরা নৌযানটি ঘিরে ফেলে এবং গুলি চালায়। এতে শাহাদাত হোছাইন গুরুতর আহত হন। পরে অন্য একটি নৌযানে করে তাঁকে তীরে আনার পথে তিনি মারা যান।