
চমেক হাসপাতাল ভবনে কাজ করার সময় এসি বিস্ফোরণে তিন কর্মচারী গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন। এঁদের মধ্যে একজন বিস্ফোরণের পর সপ্তম তলার ভবন থেকে নিচে পড়ে যান। পরে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সপ্তম তলার ভবনের ছাদে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন শওকত, নিশাত ও বাপ্পাা। তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া না গেলেও তাঁরা হাসপাতালটিতে আউটসোর্সিং কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
চমেক হাসপাতালে পুলিশের দায়িত্বরত এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, আহতদের মধ্যে শওকত আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন, বাকি দুজনকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। সবারই অবস্থা গুরুতর বলে জানান তিনি।
হাসপাতালের কর্মচারীরা জানান, সকালে সপ্তম তলার ভবনটির ছাদে রাখা এসিতে কাজ করার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে একজন সাততলার ছাদ থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যায়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে