রুশ ধনী ব্যবসায়ী পাভেল মিখাইলোভিচ ত্রেত্ইয়াকফ চেয়েছিলেন রাশিয়ার জাতীয় শিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করতে। তাই ১৮৫৬ সালে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিত্রকর্ম সংগ্রহ শুরু করেন। ১৮৫০-এর দশক শেষ হতে হতে তিনি রুশ শিল্পীদের বেশ কয়েকটি চিত্রকর্ম সংগ্রহ করে ফেলেন। সমসাময়িক রুশ চিত্রশিল্পী; যেমন ইলিয়া রেপিন, ইভান ক্রামস্কোই, ভাসিলি সুরিকভ, ভিক্টর ভাসনেতসভ প্রমুখের আঁকা ছবি দিয়ে বাড়তে থাকে সংগ্রহের তালিকা। পাভেল ও সের্গেই—দুই ভাই মিলে ১৮৬৭ সালে এসব শিল্পকর্ম নিয়ে খোলেন মস্কো সিটি গ্যালারি।
১৮৯২ সালে মস্কো শহরকে এই গ্যালারি উপহার হিসেবে দান করেন পাভেল। পরের বছর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় মস্কো সিটি গ্যালারি অব পাভেল অ্যান্ড সের্গেই ত্রেত্ইয়াকফের। রুশ বিপ্লবের পরের বছর ১৯১৮ সালে গ্যালারিটি জাতীয়করণ হয় এবং নতুন নাম হয় স্টেট ত্রেত্ইয়াকফ গ্যালারি। ১৮৫১ সালে ত্রেত্ইয়াকফ পরিবারের কেনা এস্টেটের একটি ভবনেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এটি। লাভ্রুশিন্স্কি লেনে অবস্থিত এই সংগ্রহশালা বিভিন্ন সময় সংস্কার করা হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
২ দিন আগে
সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো।
৪ দিন আগে
মোহাম্মদ সুলতান ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একুশের প্রথম সংকলনের প্রকাশক। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যেকোনো মূল্যে ১৪৪ ধারা ভাঙতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাত ১টায় ফজলুল হক হল ও ঢাকা হলের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এক বৈঠকে মিলিত হই।
৯ দিন আগে
২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১০ দিন আগে