২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। আবহাওয়াবিষয়ক কাজ নিয়ে আলোচনায় অন্যতম নাম ফ্লোরেন্স ভ্যান স্ট্র্যাটেন। তিনি ছিলেন একজন মার্কিন আবহাওয়াবিদ এবং মার্কিন নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর আবহাওয়ার পূর্বাভাস ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনবদ্য।
ফ্লোরেন্স ভ্যান প্রথম দেখিয়েছিলেন, রাডার শুধু শত্রু জাহাজ কিংবা বিমান শনাক্ত করতেই ব্যবহৃত হয় না, এটি ঝড়ের গতিপ্রকৃতি এবং বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিতেও সমান কার্যকর। তাঁর এই উদ্ভাবন আধুনিক ডপলার রাডার প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপনে সাহায্য করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য নিখুঁত আবহাওয়া বার্তা তৈরি করতেন। মেঘের আড়াল ব্যবহার করে কীভাবে শত্রুপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে আক্রমণ করা যায়, সেই কৌশলী আবহাওয়া পরিকল্পনায় তিনি দক্ষ ছিলেন। ১৯৫৮ সালে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীর আবহাওয়া পরিষেবা শাখার প্রধান হন। সেখানে তিনি বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরের বায়ুপ্রবাহ এবং এর পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসের পদ্ধতি উন্নত করেন। ফ্লোরেন্স কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত ঘটানোর বা মেঘ সরিয়ে দেওয়ার বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা সে সময় অত্যন্ত অত্যাধুনিক গবেষণা হিসেবে বিবেচিত হতো।
শুরুতে লেখক হতে চেয়েছিলেন ফ্লোরেন্স ভ্যান স্ট্র্যাটেন, পরে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং রসায়নে ডিগ্রি অর্জন করেন। ফ্লোরেন্সের জন্ম ১৯১৩ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের ড্যারিয়েনে। ১৯৯২ সালের ২৫ মার্চ তিনি মারা যান।

ইরানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোলেস্তান। সেখানে বসবাস করেন মারভে পোরকাজ। পেশায় তিনি হেয়ারড্রেসার। সম্প্রতি বাড়ির কাছে বোমা বিস্ফোরিত হলে ভীত পোরকাজ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ৩২ বছর বয়সী পোরকাজ জানান, তিনি প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পার্বত্য সীমান্তে পৌঁছান।
৮ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার সুসং দুর্গাপুরের বহেরাতলী গ্রামের এক টিলার ওপর ইতিহাসের পিদিম হয়ে বেঁচে ছিলেন এক নারী। তাঁর নাম কুমুদিনী হাজং। ২০২৪ সালের ২৩ মার্চ তিনি মারা যান। তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে আমরা হারিয়েছি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও ঐতিহাসিক টংক আন্দোলনের এক কিংবদন্তি নেত্রীকে।
৯ ঘণ্টা আগে
এলিস মরিসনকে বলা হয় নারী ইন্ডিয়ানা জোন্স। তিনি একজন ব্রিটিশ অভিযাত্রী, লেখক এবং টিভি উপস্থাপক। মধ্যবয়সে এসে তিনি নিজের স্থিতিশীল করপোরেট জীবন ছেড়ে অজানার উদ্দেশে পা বাড়িয়েছেন। ৫ বছর বয়সে উগান্ডার পাহাড়ে সাপ তাড়িয়ে বেড়ানো শিশুটি...
৯ ঘণ্টা আগে
আমার চারপাশের সফল মানুষদের দেখলে নিজেকে নিয়ে খুবই হতাশ লাগে। আমার পরিবারকে অনেক কিছু দিয়ে ভরিয়ে তুলতে পারি না। এটা কেউ হয়তো আমাকে মুখের ওপর বলে না, কিন্তু তা আমি অনুভব করি। বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি চলে এসেছি। কিন্তু বাবা-মাকে চাইলেই ছোটখাটো কিছু দিতে পারি...
১০ ঘণ্টা আগে