আমার চারপাশের সফল মানুষদের দেখলে নিজেকে নিয়ে খুবই হতাশ লাগে। আমার পরিবারকে অনেক কিছু দিয়ে ভরিয়ে তুলতে পারি না। এটা কেউ হয়তো আমাকে মুখের ওপর বলে না, কিন্তু তা আমি অনুভব করি। বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি চলে এসেছি। কিন্তু বাবা-মাকে চাইলেই ছোটখাটো কিছু দিতে পারি না। আমার শ্বশুরবাড়িতে কেউ চায় না, আমি চাকরি করি। তারা আমাকে স্বাচ্ছন্দ্য দিতে সক্ষম। কিন্তু তা আমাকে মানসিক শান্তি দেয় না। চারপাশের স্বাবলম্বী মানুষদের মতো হতে চাই। কিন্তু আমি জানি, তা সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত আর্থিক সচ্ছলতা মানসিক শান্তি আর স্বস্তি দেয়, সেটি আমি অন্য কোথাও পাব বলে মনে হয় না। এই মানসিক অশান্তিগুলো ভোলার জন্য কী করা উচিত? এগুলো কাছের মানুষদের কীভাবে বুঝিয়ে বলতে পারি?
সাবিহা নাজাত, খুলনা
উত্তর: আপনার সমস্যার মধ্য দিয়ে স্বাধীনচেতা, আত্মসম্মানের এক নারীহৃদয়ের আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। সফল মানুষদের সাফল্য সহজে আসে না। এর পেছনে থাকে অনেক প্রতিকূলতা, লড়াই আর ব্যর্থতার না বলা গল্প। আপনার সময় শেষ হয়ে যায়নি; বরং আজকের দিনটি হতে পারে এগিয়ে যাওয়ার শুভ সূচনা।
সবাইকে সবকিছু বোঝানো যায় না। সবাই হয়তো বুঝতেও চায় না। আপনি তো নিজের মতো চেষ্টা করেছেন। এবার নিজে একটি সিদ্ধান্তে আসুন।
আপনার মানসিক শান্তি ও স্বস্তির জন্য কিছু উদ্যোগ নিন। সেটা হতে পারে ভালো বই পড়া, বাগান করা, ভালো সিনেমা দেখা। অথবা ছোটবেলার অপূর্ণ থাকা শখ পূরণের চেষ্টা করা। আরেকটি বিষয়, আপনার যদি কুটির শিল্প বা হাতের কাজে দক্ষতা কিংবা আগ্রহ থাকে, আপনি সে জায়গা থেকেও নিজস্ব উদ্যোগে কিছু করতে পারেন। শখ বা নিজের ভালোবাসা, ভালো লাগার জায়গা থেকে অনেক কিছু করা সম্ভব।
আমার বিশ্বাস, যদি নিজের উৎসাহে ইতিবাচক কোনো কিছু করা শুরু করতে পারেন, তাহলে আপনি মানসিকভাবে ভালো থাকবেন।
পরামর্শ দিয়েছেন: অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সোশ্যাল ও কমিউনিটি সাইকিয়াট্রি ডিপার্টমেন্ট জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

ইরানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোলেস্তান। সেখানে বসবাস করেন মারভে পোরকাজ। পেশায় তিনি হেয়ারড্রেসার। সম্প্রতি বাড়ির কাছে বোমা বিস্ফোরিত হলে ভীত পোরকাজ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ৩২ বছর বয়সী পোরকাজ জানান, তিনি প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পার্বত্য সীমান্তে পৌঁছান।
৬ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার সুসং দুর্গাপুরের বহেরাতলী গ্রামের এক টিলার ওপর ইতিহাসের পিদিম হয়ে বেঁচে ছিলেন এক নারী। তাঁর নাম কুমুদিনী হাজং। ২০২৪ সালের ২৩ মার্চ তিনি মারা যান। তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে আমরা হারিয়েছি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও ঐতিহাসিক টংক আন্দোলনের এক কিংবদন্তি নেত্রীকে।
৭ ঘণ্টা আগে
এলিস মরিসনকে বলা হয় নারী ইন্ডিয়ানা জোন্স। তিনি একজন ব্রিটিশ অভিযাত্রী, লেখক এবং টিভি উপস্থাপক। মধ্যবয়সে এসে তিনি নিজের স্থিতিশীল করপোরেট জীবন ছেড়ে অজানার উদ্দেশে পা বাড়িয়েছেন। ৫ বছর বয়সে উগান্ডার পাহাড়ে সাপ তাড়িয়ে বেড়ানো শিশুটি...
৮ ঘণ্টা আগে
২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। আবহাওয়াবিষয়ক কাজ নিয়ে আলোচনায় অন্যতম নাম ফ্লোরেন্স ভ্যান স্ট্র্যাটেন। তিনি ছিলেন একজন মার্কিন আবহাওয়াবিদ এবং মার্কিন নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর আবহাওয়ার পূর্বাভাস ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান
৯ ঘণ্টা আগে