
হাওরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পানিতে জমি তলিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষকেরা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ির অনেক জায়গায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট চলছে। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুম এলেই খাগড়াছড়ির নয়টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ।

অতিবৃষ্টির পর টানা রোদ পেয়ে ডুবে যাওয়া ধান কাটতে হাওরের জলমগ্ন অংশে হুমড়ি খেয়ে পড়ে মানুষ। এর মধ্যে গত বুধবারের থেমে থেমে হওয়া বৃষ্টি ধান কাটতে আসা লোকজনকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। তবে গতকাল বৃহস্পতিবারের রোদ আবার ব্যতিব্যস্ত করে তোলে সুনামগঞ্জের হাওর পারের মানুষকে।

হাওরাঞ্চলে সাম্প্রতিক বোরো ধানের মহাবিপর্যয় ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং ভুল কৃষিনীতি ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ। হাওর রক্ষায় সমন্বিত ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে দেশের খাদ্য ও আমিষ নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে।

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরিস্থিতি ও সরকারি সহায়তা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে জেলার রাজনগর উপজেলার কা