
কোরবানির ঈদ মানেই ঘরে ঘরে গরু বা খাসির মাংসের নানা রকম খাবারের আয়োজন। ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরপর কয়েক দিন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি মাংস খাওয়া হয়ে যায়। সারা দিনে খাওয়ার রুটিনও হয়ে যায় এলোমেলো। আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে বন্ধুদের আড্ডা—সবখানেই চলতে থাকে তেল, চর্বি ও মসলাযুক্ত ভারী খাওয়া। কিন্তু...

ঈদুল আজহার আনন্দঘন মুহূর্তগুলোতে আমাদের খাবারের তালিকায় স্বভাবতই মাংসের বিভিন্ন পদের আধিক্য থাকে। পোলাও, বিরিয়ানি, রেজালা কিংবা কাবাবের মতো লোভনীয় সব ভারী খাবার টেবিলে সাজানো থাকলে জিভকে সামলানো দায় হয়ে পড়ে। অসুবিধা হতে পারে জেনেও অনেকেই বছরে তো একটাই কোরবানির ঈদ ভেবে কোনো বাছবিচার ছাড়াই...

ঈদ-পরবর্তী দিনগুলোতেও আমরা কোরবানির মাংসের বিভিন্ন পদের আয়োজন করে থাকি। এই সময়ে খাবারের প্রকারভেদ এবং পরিমাণ—দুটোই অনেক বেশি থাকে। তাই না চাইলেও মনের অজান্তে বেশি খেয়ে ফেলি; বিশেষ করে মাংস এবং মাংস দিয়ে তৈরি খাবারগুলো। তবে বিষয়টি মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তাই ঈদে শরীরের অবস্থা বুঝে মাংস খেতে হবে...

ঈদ মানে উৎসব আর আনন্দ, বেশি বেশি দাওয়াত আর খাওয়াদাওয়া। খেয়েও কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই অনেকের। তাই ভেবেচিন্তে খাবারের মেনু ঠিক করে রাখুন আগেভাবেই; যাতে ইদের মজাদার খাবারগুলো মিস হওয়ার সুযোগ না থাকে, আবার আপনি সুস্থও থাকেন। আপনার খাবারের মেনুতে সঠিক উপাদান...