প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন নটর ডেম ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ফাদার প্যাট্রিক গ্যাফনি। অনুষ্ঠানে মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমদ, প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া এবং আমেরিকার জন্স হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের গবেষক ডা. মোহাম্মাদ নাকিবউদ্দীন।

স্বাগত বক্তব্যে ফাদার প্যাট্রিক গ্যাফনি প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আরও বেশি সচেতনতার আহ্বান জানান।
অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার কেবল একটি চিকিৎসাপদ্ধতি নয়, এটি মানবিক দায়িত্ববোধের প্রকাশ।’ তিনি শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে জানার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে উল্লেখ করেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের পরিসর এখনো সীমিত। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হিসেবে শিক্ষার্থীরাই পরিবার ও সমাজে এ ধরনের সেবা-সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে বলে মতপ্রকাশ করেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘প্রতিটি কমিউনিটির সচেতন ও কর্মচঞ্চল অংশ হলো শিক্ষার্থীরা। পরিবার-গোষ্ঠী ও সমাজে শিক্ষার্থীরা সচেতনতা সৃষ্টি, সহানুভূতিশীল আচরণ এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে এ সেবাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারে।’
বক্তব্যে ডা. মোহাম্মাদ নাকিবউদ্দীন বলেন, ‘সহমর্মিতা, সম্মান, মায়া-মমতা ও মানসিক সমর্থন জীবনের শেষ পর্যায়ের কাছাকাছি থাকা মানুষের ভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’
প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। প্যালিয়েটিভ কেয়ার বা প্রশমন সেবা বিষয়টি সম্পর্কে আরও জানতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে এসে ব্রাদার সুবল রোজারিও নটর ডেম ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ে ক্লাব কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব দেন।

রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন হওয়ার কারণে এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিংবা ইমিউন সিস্টেম কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে। একজন চিকিৎসক ও অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে মনে করি, সঠিক বৈজ্ঞানিক সচেতনতা থাকলে রোজার মাধ্যমেও শরীর রোগমুক্ত, দূষণমুক্ত...
২ দিন আগে
রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। এটি হতে পারে অটো এমিনোর কারণে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো সংক্রমণ বা আয়োডিনের ঘাটতি অথবা থাইরয়েডের কোনো অপারেশন বা থাইরয়েড গ্রন্থিতে রেডিও আয়োডিন থেরাপি দেওয়ার পর।
২ দিন আগে
রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।
২ দিন আগে