
তহুরা খাতুনের পাস থেকে বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ এক নিচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্য ভেদ করে বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান সেই ঋতুপর্ণা চাকমা। এই গোলের পরম স্বস্তি নিয়েই এখন দ্বিতীয়ার্ধের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ের অপেক্ষায় আছে সাফে হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশ।

২০১৬ সালে শিলিগুড়িতে ভারতের কাছে ফাইনালে হারের সেই স্মৃতি এখনো বাংলাদেশের ফুটবলে এক বড় আক্ষেপ। ২০২২ ও ২০২৪ সালে কাঠমান্ডুতে টানা দুবার শিরোপা জিতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে। তবে এবার সেই ভারতের মাটিতেই তাদের হারিয়ে ট্রফি জয়ের মাধ্যমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের অপেক্ষায় মারিয়া মান্দারা।

ঘরের মাঠ হওয়ায় গ্যালারিতে ভারতের পাল্লা ভারী থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে স্বাগতিকদের কীভাবে কাঁদাতে হয়, তা ভালোই জানা মারিয়ার, ‘গত সাফ যখন খেলেছিলাম, তখনো কিন্তু নেপালে অনেক দর্শক ছিল, অনেক চাপ ছিল। তারপরও আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করে মোকাবিলা করেছি। মানসিকভাবে আমরা সবকিছুর প্রস্তুতি নিচ্ছি। যেকোনো পরিস্থিত

দ্বিতীয়ার্ধে গোয়ার তীব্র গরম আর ফাইনালের টিকিটের তীব্র স্নায়ুচাপের মুখে দাঁড়িয়েও লড়াই চালিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ যখন নিশ্চিতভাবেই অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই ডাগআউট থেকে আসা বদলি ফরোয়ার্ড সাগরিকা তৈরি করেন আরেক ইতিহাস। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে নেপালের রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দিয়ে জয়সূচক