
নীলফামারীর সৈয়দপুরের মুন্সিপাড়া এলাকায় রপ্তানিমুখী খান অ্যান্ড সন্স পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ করতেন প্রায় অর্ধশত শ্রমিক। কিন্তু ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বড় পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঝুট কাপড়ের দাম বেড়ে যায়। পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়ে পোশাক রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্রয়াদেশ কমতে থাকে।

সম্প্রতি সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হয়েছে, যা বেশ উদ্বেগের। সামগ্রিকভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে দারিদ্র্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দূর হবে। তবে এ ক্ষেত্রে রপ্তানিমুখী শিল্পায়নের প্রতি বেশি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

নাসা গ্রুপের মালিকানাধীন রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে শিল্পগ্রুপটিকে সহায়তা করতে যাচ্ছে সরকার। নাসার খেলাপি হয়ে পড়া ঋণ সহজে পুনঃ তফসিল করে গ্রুপটিকে এলসি খোলার সুযোগ দিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে চিঠি দিয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

দেশের বড় রপ্তানিমুখী ব্যাগ ও লাগেজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ছিল মোংলার ইপিজেডে থাকা ভারতীয় মালিকানাধীন ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড। ২০১৪ সাল থেকে এখানে তাদের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছিল এবং সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ভিআইপির মোংলা কারখানায় অগ্নিকাণ্ড