
ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সব পথ চিরতরে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে দেশটিকে সীমিত পরিসরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তেহরান যদি ওয়াশিংটনের শর্ত না মানে, তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তাঁর ছেলে মোজতাবা খামেনিসহ...

ইরান জানিয়েছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চলা বিরোধ মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা ‘নির্দেশনামূলক নীতিমালা’র বিষিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পরোক্ষ আলোচনা শেষে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান আলোচনায় ‘প্রাথমিক সমঝোতা’ নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতির কথা জানিয়েছেন। বিষয়টিকে সম্ভাব্য অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এমনটি নিশ্চিত করলে তবেই এটিকে প্রকৃত অগ্রগতি বলা যাবে।

মঙ্গলবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আটটি যুদ্ধ মীমাংসা করেছি। এর মধ্যে অন্তত ছয়টি শুল্কের কারণে মিটেছে। আমি বলেছিলাম, তোমরা যদি এই যুদ্ধ বন্ধ না করো, তাহলে আমি তোমাদের ওপর শুল্ক আরোপ করব। আমি মানুষকে মরতে দেখতে চাই না।’