
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, মিরপুর ও উত্তরখান থেকে ছয়জন দগ্ধ হয়ে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন। উত্তরখানের আলী হোসেনের শরীরের ১০০ শতাংশ, হাসনা হেনার ৬০ এবং আঁখির ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১২ জন দগ্ধের ঘটনায় কাওসার (৩০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। তিনি ওই ক্যানটিনের কর্মচারী ছিলেন। এই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আমিরের শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর শ্বাসনালিও দগ্ধ হয়েছিল।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কুতুবপুর অঞ্চলের বাসিন্দা নুসরাত জাহান। পরিবারের রান্নার জন্য দিনে ৩-৪ ঘণ্টা তাঁকে থাকতে হয় রান্নাঘরে। তবে সম্প্রতি একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনায় উদ্বিগ্ন তিনি। এ কারণে রান্নাঘরে যেতে ভয় পান। আতঙ্ক নিয়ে করছেন রান্না। শুধু নুসরাত নন, নারায়ণঞ্জের অনেকে এখন ভুগছেন বিস্ফোরণ-আতঙ্কে।