
ইটভাটার মাটির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন পাকা সড়ক। অন্যদিকে মাটিবোঝাই ট্রাক্টরের কারণেও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষ। স্থানীয়রা বলছেন, একদিকে ট্রাক্টরের মাটি রাস্তায় পড়ে ধুলাবালুতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিবোঝাই ট্রাক্টরের দৌরাত্ম্যে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ট্রলির মাটি সড়কে পড়ে ধুলাবালিতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। একই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে কাঁচা ও পাকা সড়ক। বেপরোয়া চলাচলের কারণে ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে।

মৌলভীবাজার জেলায় ৪৫টি ইটভাটার মধ্যে একটিরও পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এগুলোতে অবৈধভাবে কার্যক্রম চলছে। ইট তৈরি হচ্ছে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি দিয়ে। যদিও আইন অনুযায়ী ইট তৈরিতে এভাবে কৃষিজমির মাটি ব্যবহারের সুযোগ নেই।

ঝিনাইদহে ৪টি অবৈধ ইটভাটার কিলন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে চার ইটভাটা থেকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম।