
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি। এর ফলে, দলটির ভাষায় ‘ডাবল ইঞ্জিনের সরকার’ গঠিত হয়েছে রাজ্যটিতে। অর্থাৎ কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় স্তরে বিজেপি ক্ষমতায়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের অন্যতম রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল ইস্যু দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বোমা ফাটিয়েছেন শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাওয়াত। রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিবালের পডকাস্ট ‘দিল সে’-তে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রাওয়াত দাবি করেছেন, গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন অমিত শাহ যখন আইনি জটিলতায় ফেঁসেছিলেন, তখন নরেন্দ্র মোদীর অনুরোধে শারদ পাওয়ারই...

গুজরাট থেকে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বরাবরই পরস্পরের বিশ্বস্ত সঙ্গী মোদি ও অমিত শাহ। অনেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডান হাত বলেও দাবি করেন। কিন্তু সেই অমিত শাহ সম্পর্কে এবার মোদিকে সতর্ক করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ—শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালে তরুণদের নেতৃত্বাে গণ-বিক্ষোভের মুখে সরকারের পতন ঘটেছে। তিন নিকটপ্রতিবেশী দেশে এমন আন্দোলন নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।