রবিবার, ০৪ মে ২০২৫
ইপেপার
সর্বশেষ
জাতীয়
রাজনীতি
বিশ্ব
ভারত
পাকিস্তান
চীন
এশিয়া
মধ্যপ্রাচ্য
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
লাতিন আমেরিকা
ইউরোপ
আফ্রিকা
সারা দেশ
ঢাকা
চট্টগ্রাম
বরিশাল
ময়মনসিংহ
সিলেট
রংপুর
রাজশাহী
খুলনা
অর্থনীতি
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
শেয়ারবাজার
করপোরেট
নতুন উদ্যোগ
বিশ্ববাণিজ্য
খেলা
ফুটবল
ক্রিকেট
টেনিস
অন্য খেলা
ফ্রি হিট
মতামত
সাক্ষাৎকার
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫
বিনোদন
সিনেমা
বলিউড
দক্ষিণের সিনেমা
গান
হলিউড
টেলিভিশন
সিরিয়াল
লোক-সংস্কৃতি
ফ্যাক্টচেক
দেশ
বিদেশ
জানি, কিন্তু ভুল
আজকের ফ্যাক্ট
আমাদের সম্পর্কে
ফ্যাক্টচেক টিম
রেটিং
অনুরোধ
জীবনধারা
ভ্রমণ
খাবারদাবার
ফিচার
সাজসজ্জা
রূপবটিকা
মানসিক স্বাস্থ্য
যত্নআত্তি
জেনে নিন
গ্যাজেট
সোশ্যাল মিডিয়া
নো হাউ
চাকরি
সরকারি
বেসরকারি
ব্যাংক
এনজিও
ক্যারিয়ার পরামর্শ
ইপেপার
নিত্যপণ্য
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও আতঙ্ক
প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ। এর মধ্যে বাড়ানো হলো জ্বালানি তেলের দাম। এতে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ডিজেল ও কেরোসিন লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ৮০ থেকে ১১৪ টাকা, অকটেন লিটারে ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৯ থেকে ১৩৫ টাকা, পেট্রল লিটারে ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ৮৬ থেকে
চুষে খাবেন, নাকি চিবিয়ে?
এখনো পর্যন্ত এ দেশের বাজারব্যবস্থায় কোনো পণ্যের দাম একবার বাড়লে তা কমে স্বাভাবিক হওয়ার নজির তো নেই। আমরা কখনো দেখিনি তা বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের কড়া ও উৎসাহী হস্তক্ষেপ। ফলে সাধারণের আশান্বিত হওয়ার সুযোগ খুবই কম। আর সেই আক্ষেপেই মনে জাগে একটি অসহায় প্রশ্ন—আমাদের চুষে খাবেন, নাকি চিবিয়ে?
পণ্য কিনতে বৃষ্টিভেজা অপেক্ষা
চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। তাই বৃষ্টি উপেক্ষা করে ন্যায্যমূল্যে পণ্য পেতে টিসিবির ট্রাকের পেছনে মানুষের দীর্ঘ সারি। বৃষ্টির মধ্যে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন টিসিবির পণ্য কিনতে। এর মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষ যেমন আছেন, তেমনি মধ্যবিত্তের সংখ্যাও কম নয়। গতকাল ময়মনসিংহে এ
টিসিবির পচা পেঁয়াজের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ক্রেতারা
লম্বা লাইনে মুখে কাপড় দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন নারীরা। কারণ জিজ্ঞেস করতেই সমেজান বিবি বললেন, ‘নাক নাই? দেখতে পাচ্ছেন না পেঁয়াজের কী গন্ধ!’ সমেজানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জোসনা বেগম। বললেন, ‘এই পেঁয়াজ তো খাওয়া যাবে না। সব পচা! আবার পেঁয়াজ না নিলে তেল, ডাল, চিনি দেবে না...
মজুতদারির পরিণাম ভয়াবহ
আল্লাহ তাআলা মানুষের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী হালাল করেছেন। বাঁচার জন্য এসব দ্রব্যের অবদান অপরিসীম। বিভিন্ন প্রয়োজনে দ্রব্যসামগ্রী স্থানান্তর করতে হয়, ক্রয়-বিক্রয় করে সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীদের মধ্যে কেউ কেউ এ সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয় এবং সাধারণ মানুষকে কষ্টে
খাদ্যনিরাপত্তাই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ রাজনীতি
আজ কেনা খাবার দুই দিন পরই কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাজার এক স্থায়ী দুঃখের নাম যেন। নানা অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তা কমার নাম নেয় না সহজে। ফলে বিশেষত নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা পড়ছে ভয়াবহ ঝুঁকিতে। এটা এখন আর শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের অনেক দেশে
বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম কমছে, দেশে কমার লক্ষণ নেই
বিশ্ববাজারে দাম কমছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের। ভোজ্যতেল, গম, ভুট্টা, দুধ, কফিসহ বেশ কিছু খাদ্যপণ্যের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ১ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
অধিকাংশ সদস্যের আপত্তি সত্ত্বেও পানির দাম বাড়াচ্ছে ওয়াসা
নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে এমনিতে বিপাকে সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যেই এবার পানির দাম বাড়াচ্ছে ঢাকা ওয়াসা। আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির বোর্ড সভায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে। এ নিয়ে গত ১৪ বছরে অন্তত ১৫ বার বাড়ানো হল
সিলেটে নিত্যপণ্যের সংকট, বেশি দামেও মিলছে না
চলমান বন্যা পরিস্থিতে সিলেটে নিত্যপণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বেশি দামেও মিলছে না চাল-ডালসহ নিত্যপণ্য। বন্যায় সিলেটের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার কালীঘাট ও কাজিরবাজার পানিতে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি সারা শহর পানি বন্দী হওয়ার অনেক...
‘জিনিসের দাম শুনে মাথা ঘোরে’
‘হামাকের মতন গরিব মানষের দিন শ্যাষ। গাও-গদোরে খ্যাটা অ্যানা দুই বেলার খাবার কিনার টাকা জোগাড় হচে না। বাজারত যায়া জিনিসের দাম শুনে মাথা ঘোরে। মাঝেমধ্যে লজ্জাত পড়ি বাড়িত ঘোরা যায়। তখন বুকটা ফ্যাটা যায়।’
‘যা ৫ টাকায় খেয়েছি এখন তা ১০ টাকা’
‘হোটেলে ডালপুরি, শিঙাড়া ও পরোটার দাম দ্বিগুণ হয়েছে। কয়েক দিন আগে যা ৫ টাকায় খেয়েছি, এখন তা ১০ টাকায় খেতে হচ্ছে। রোজগার তো আগের মতোই আছে। সীমিত আয়ের মানুষ আমি।
আটার দামের প্রভাব বেকারি পণ্যে
চাল ও আটার দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে অন্য পণ্যে। তেরখাদায় বেকারি পণ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ৫ টাকার রুটি খেতে হচ্ছে এখন ১০ টাকায়। অন্য সব নিত্যপণ্যের দামও নাগালের বাইরে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাধারণ মানুষ।
চালের পর বাড়ল মসলার দাম
নওগাঁর মান্দায় থামছেই না দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া। ধান ও চালের বাজার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও ভোজ্যতেলের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। লাগামহীন মাছ, মাংস, আলুসহ সবজির বাজার। এসব নিত্যপণ্যের পাশাপাশি কোরবানির আগেই হুহু করে বাড়ছে সব ধরনের মসলার দাম।
‘দাম বাড়ায় খাওয়া কমাইছি’
‘জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় দুপুরে ভারী খাবার ছাড়া সকাল ও রাতে কম খাই। আগের মতো তাই শরীরে শক্তি পাই না। কী করব? চুরি করে তো আর চলতে পারি না।’ কথাগুলো রহিম মিয়ার। পেশায় ভ্যানচালক। ভ্যানে মালপত্র আনা-নেওয়া করেন অনেক দিন হলো। সময়ের সঙ্গে বাজারে সবকিছুরই দাম বেড়েছে, শুধু তাঁর শ্রমেরই দাম বাড়ে সেভাবে।
নিত্যপণ্যের দামে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ
চাল, ডাল, চিনি, লবণ, তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায়। শুধু নিত্যপণ্য নয়, সবকিছুরই দাম বেশি। এতে কপালে ভাঁজ পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের। অল্প রোজগারে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে অনেকেই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। অনেক সময় বেশি দাম দিয়েও সময়মতো পণ্য সরবরাহ পাওয়া যাচ্
নন্দ ঘোষদের যত দোষ
বাংলায় প্রচলিত ও সুপরিচিত প্রবাদটি নিশ্চয়ই মাথায় ঘুরছে এখন। শিরোনাম দেখেই এটি হওয়ার কথা। আর এ দেশে তো আরও বেশি। কারণ, এখানে নন্দ ঘোষের সংখ্যা অনেক, কোটি কোটি। আর দোষ যাঁরা চাপান নন্দ ঘোষদের ঘাড়ে, তাঁরা ভারহীন থাকেন সর্বদাই। কে না জানে, নিজে কিছু না করে কাজ বা দায়িত্ব বা দায়—এসব অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দে
কৃষকের মাঠের হাসি বাজারে হলো বিলীন
আবাদি জমি না থাকায় দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন তারাগঞ্জের মাটিয়ালপাড়া গ্রামের মোজাহারুল ইসলাম। কিন্তু নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখীর বাজারে শুধু মজুরির টাকায় কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না। তাই চলতি বোরো মৌসুমে অন্যের ৫০ শতক জমি বর্গা নিয়ে ধান চাষ করেছিলেন। ফলন ভালো হলেও এখন বাজারের নিম্নমুখী দামে তাঁর মুখ মলিন হয়