নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যাল, ওয়াইজ ও স্ট্রাইপের মতো পেমেন্ট সেবাগুলো চালুর দাবি জানিয়েছেন ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবীরা। তাঁরা বলছেন, দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের অভাবে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতায় পড়ছেন।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ও আইটি প্রফেশনাল কমিউনিটির’ ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ফ্রিল্যান্সাররা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তা রয়েছেন। যাঁরা প্রতি বছর একটি বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্সে যুক্ত করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু দেশে এখনো পেপ্যাল, ওয়াইজ ও স্ট্রাইপের মতো জনপ্রিয় পেমেন্ট সেবাগুলো চালু না হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতায় পড়ছেন দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সাররা।
এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী রিমোট কাজের সুযোগ বাড়লেও বাংলাদেশে পেমেন্ট সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এ দেশের ফ্রিল্যান্সাররা পিছিয়ে পড়ছেন। এ সময় তারা বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে পেপ্যাল, ওয়াইজ ও স্ট্রাইপের মতো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলন শেষে ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবীরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আইটি খাতের অগ্রগতির জন্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমের সহজলভ্যতা এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন— ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবী এমরাজিনা ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এইচ এম ওসমান শাকিল, গোলাম কামরুজ্জামান, আতিকুর রহমান, সুমন সাহা, মিনহাজুল আসিফ, রাসেল খন্দকার ও সাজিদ ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যাল, ওয়াইজ ও স্ট্রাইপের মতো পেমেন্ট সেবাগুলো চালুর দাবি জানিয়েছেন ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবীরা। তাঁরা বলছেন, দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের অভাবে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতায় পড়ছেন।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ও আইটি প্রফেশনাল কমিউনিটির’ ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ফ্রিল্যান্সাররা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার ও আইটি উদ্যোক্তা রয়েছেন। যাঁরা প্রতি বছর একটি বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা রেমিট্যান্সে যুক্ত করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু দেশে এখনো পেপ্যাল, ওয়াইজ ও স্ট্রাইপের মতো জনপ্রিয় পেমেন্ট সেবাগুলো চালু না হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতায় পড়ছেন দেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সাররা।
এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী রিমোট কাজের সুযোগ বাড়লেও বাংলাদেশে পেমেন্ট সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এ দেশের ফ্রিল্যান্সাররা পিছিয়ে পড়ছেন। এ সময় তারা বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে পেপ্যাল, ওয়াইজ ও স্ট্রাইপের মতো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলন শেষে ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবীরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আইটি খাতের অগ্রগতির জন্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমের সহজলভ্যতা এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন— ফ্রিল্যান্সার ও আইটি পেশাজীবী এমরাজিনা ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এইচ এম ওসমান শাকিল, গোলাম কামরুজ্জামান, আতিকুর রহমান, সুমন সাহা, মিনহাজুল আসিফ, রাসেল খন্দকার ও সাজিদ ইসলাম প্রমুখ।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধন ও আইডি কার্ড ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে সরকার। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা সরকার স্বীকৃত ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাবেন, যা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা ও সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে এবং পেশাগত মর্যাদা...
১৫ ঘণ্টা আগে
দেশের সাধারণ মানুষের হাতে স্মার্টফোন পৌঁছে দিতে এবং ডিজিটাল সেবা আরও সহজলভ্য করতে বড় ধরনের পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিশেষ করে কাগজের নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে রাষ্ট্রের ব্যয় হয় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।
১ দিন আগে
ইরানের চলমান বিক্ষোভ তীব্র হতে শুরু করলেই দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় সরকার। এরপরও ইলন মাস্কের রকেট কোম্পানি স্পেসএক্সের মালিকানাধীন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা স্টারলিংক ব্যবহার করে অনেকে বিক্ষোভের তথ্য বহির্বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিল।
১ দিন আগে
প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত এবং বড় আয়োজন কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস)। এটি হলো প্রযুক্তির বাণিজ্যিক প্রদর্শনী, যা প্রতিবছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত হয়। পুরো বিশ্বের প্রযুক্তি উদ্ভাবকেরা এখানে আসেন তাঁদের অভিনব সব উদ্ভাবন নিয়ে।
১ দিন আগে