রাফায়েল নাদাল, নোভাক জোকোভিচ, রদার ফেদেরার—টেনিস ইতিহাসে এই তিনজনই ২০ বা তার বেশি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। যার মধ্যে ফেদেরার অবসর নিয়েছেন। এখনো খেলে চলেছেন জোকোভিচ ও নাদাল।
নাদালের সঙ্গে জোকোভিচের প্রতিযোগিতা চলছে ২০২৩ সাল থেকে। গত বছরের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে ২২ তম গ্র্যান্ড স্লাম জেতেন জোকোভিচ। সার্বিয়ান টেনিস তারকা সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের তালিকায় ভাগ বসান নাদালের রেকর্ডে। এই সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পাঁচ মাসের মতো সময় লেগেছে জোকোভিচের। জুন মাসে কাসপার রুডকে হারিয়ে ২৩ তম গ্র্যান্ড স্লাম জেতেন জোকোভিচ। এরপর সেপ্টেম্বরে ইউএস ওপেন জিতে সংখ্যাটাকে ২৪ নম্বরে নিয়ে যান জোকোভিচ। অন্যদিকে চোটের সঙ্গে লড়তে থাকা নাদাল খেলতে পারেননি এ বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। স্প্যানিশ টিভি ‘লাসেক্সতার’ এক অনুষ্ঠান ‘এল অবজেক্টিভ দি লা সেক্সতা’য় গতকাল দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাদাল প্রশংসায় ভাসিয়েছেন জোকোভিচকে। নাদাল বলেন, ‘সংখ্যাই তো বলে দিচ্ছে সব। আমার মতে সে-ই ইতিহাস সেরা।’
টেনিস কোর্টে একের পর এক রেকর্ড তো জোকোভিচ গড়েন নিয়মিতই। পাশাপাশি মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও তাঁকে নিয়ে হয় সমালোচনা। ২০২২ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে করোনার টিকা নিয়ে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন্ জোকোভিচ। তাছাড়া মাঠে মাঝেমধ্যেই হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় সার্বিয়ান টেনিস তারকাকে। জোকোভিচ প্রসঙ্গে নাদাল বলেন, ‘সে আসলে যেমন, তার তুলনায় ভাবমূর্তি একটু খারাপ। আমার মতে, সে ভালো মানুষ। মাঝেমধ্যে হতাশার মুহূর্ত চলে আসে। নোভাক র্যাকেট ভেঙে ফেলে। তবে পরবর্তী পয়েন্ট পেতে সে শতভাগ প্রস্তুত। আমি এতদিন যাদের দেখেছি, তাদের মধ্যে অন্যতম সেরা।’

আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। মানচিত্রে খুঁজলে সহজে চোখেই পড়ে না। জনসংখ্যা মোটে পৌনে ছয় লাখ। কিন্তু আজ ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এই দেশটিতেই চোখ রাখবে বিশ্ব। রাত ১০টায় আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে তারা।
১৪ মিনিট আগে
এক দল বিশ্বকাপের চারবারের চ্যাম্পিয়ন। অপর দল এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে। প্রথম দুই লাইন পড়ে অনেকেই হয়তো অনুমান করতে পেরেছেন এখানে গত রাতের জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। হিউস্টনে গত রাতে নবাগত কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে জার্মানি। গোলবন্যার এই ম্যাচ মনে করাল তিন বছর আগে আর্জেন্টিন
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে একবারই ফাইনালে উঠেছিল সুইডেন। ১৯৫৮ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে সুইডিশরা রানার্সআপ হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে তারা খুব একটা নিয়মিত নয়। এবার তারা ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ফিরল ৮ বছর পর।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
৩ ঘণ্টা আগে