
কাতার বিশ্বকাপের পর গত হয়েছে প্রায় ৩ বছর। লম্বা সময় পরও ফাইনালে আর্জেন্টনার কাছে হারার ক্ষত দগদগে কিলিয়ান এমবাপ্পের মনে। একই সঙ্গে বাস্তবতাও স্বীকার করছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তাঁর মতে, যোগ্য দল হিসেবেই সেবার শিরোপা জিতেছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর লুসাইল স্টেডিয়ামে দারুণ এক ফাইনাল উপহার দিয়েছে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। যেটাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা ফাইনাল হিসেবেও মনে হয় করা হয়। সেদিন ১২০ মিনিটের খেলা শেষে ৩–৩ সমতা ছিল দুই দল। টাইব্রেকারে লা আলবিসেলেস্তেদের সঙ্গে পেরে উঠেনি ফরাসিরা। দুটি শট ঠেকিয়ে ফ্রান্সের স্বপ্নভঙ্গ করেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তাই হ্যাটট্রিক করেও দেশকে তৃতীয় শিরোপা এনে দিতে পারেননি এমবাপ্পে।
কাতার বিশ্বকাপের লম্বা সময় পর আর্জেন্টিনার বিপক্ষে উত্তেজনায় ঠাঁসা ফাইনাল নিয়ে কথা বলেছেন এমবাপ্পে। সে হারের ক্ষতে প্রলেপ দিতে ২০২৬ বিশ্বকাপে ভক্তদের জন্য দারুণ কিছু করার আভাস দিলেন তিনি। এমবাপ্পে বলেন, ‘ফাইনালে কিছু সময় আমরা দারুণ ফুটবল খেলেছি। কিন্তু পুরো ম্যাচের হিসেব করলে জয়টা আর্জেন্টিনারই প্রাপ্য ছিল। এই হারটা আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে। আমরা সেই হারের স্মৃতি ভুলে যেতে চাই না। সামনেই ২০২৬ বিশ্বকাপ। সে আসরে আমরা আর এমন কষ্টের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চাই না।’
এমবাপ্পে বোঝাতে চাইলেন, দল হারায় ফাইনালে করা হ্যাটট্রিক খুব একটা বিশেষ নয় তাঁর কাছে, ‘ফাইনালে সবাই জিততে মুখিয়ে থাকে। গোল করাটাই আসল কথা নয়। সে ম্যাচে দারুণ লড়াই হয়েছে। ভালো খেলায় আর্জেন্টিনার জন্য জয় প্রাপ্য ছিল।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৪৪ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে