
ফেবারিটের তকমা গায়ে নিয়েই বিশ্বকাপ খেলতে উত্তর আমেরিকায় গেছে পর্তুগাল। দলটিতে তারকার ছড়াছড়ি। অভিজ্ঞ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছাড়াও পর্তুগিজদের বহরে আছেন রুবেন নেভেস, রুবেন দিয়াস, ব্রুনো ফের্নান্দেস, বের্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লেয়াওদের মতো বর্তমান সময়ে ইউরোপিয়ান ফুটবল মাতানো সব পরিচিত মুখ।
এমন তারকাসমৃদ্ধ পর্তুগালকে নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে বড় স্বপ্নই বুনছিল ভক্তরা। কিন্তু দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে দলটির শুরুটা হয়েছে খুবই হতাশাজনক। ১-১ গোলে ড্রয়ে পর্তুগালকে রুখে দিয়েছে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা ডিআর কঙ্গো। রোনালদোদের জন্য এই ড্র’টা তাই হার সমতূল্য। শক্তির বিচারে অনেক পিছিয়ে থাকা ডিআর কঙ্গোর কাছে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বড় ধাক্কাই লেগেছে পর্তুগালের।
বিশ্বকাপ মিশনের শুরুতেই এমন হতাশাজনক ড্রয়ে বাকি সতীর্থদের মতো রোনালদোরও মন খারাপ হচ্ছে। হতাশা ঘিরে ধরলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সতীর্থদের উদ্দেশে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। রোনালদো লিখেছেন, ‘এটা মোটেও সেই শুরু নয়, যা আমরা চেয়েছিলাম। তবে সবকিছু এখনো শেষ হয়ে যায়নি। মাথা উঁচু রেখেই পরের ম্যাচে পুরো মনোযোগ দিতে হবে।’
টেক্সাসে অবশ্য ম্যাচের শুরুতে দারুণ কিছুরই ইঙ্গিত দিয়েছিল পর্তুগাল। জোয়াও নেভেসের কল্যাণে ষষ্ঠ মিনিটেই লিড পায় রবার্তো মার্তিনেসের দল। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে কঙ্গোকে ম্যাচে ফেরান ইয়োয়ান উইসা। বাকি সময় আর কোনো গোল হজম করেনি তাঁরা। কঙ্গোর মতো দলের বিপক্ষে পূর্ণ পয়েন্ট না পেলেও নিজেদের নিবেদনের কোনো ঘাটতি দেখেন না রোনালদো।
ম্যাচ শেষে রোনালদোর কাছে জানতে চাওয়া হয়, খেলোয়াড়দের নিবেদনে কোনো কমতি ছিল কি না? পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে রোনালদো বলেন, ‘কিসের কমতি?’ কোনো কিছুরই কমতি ছিল না আমাদের। ফুটবল এমনই। আমরা জিততেও পারত, আবার হারতেও পারত। ম্যাচটা যে কোনো দিকেই যেতে পারত।’

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় মিরোস্লাভ ক্লোসার (১৬ গোল) পাশে বসেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। একই সঙ্গে জার্সির বিশেষ কিছু প্রতীক নিয়েও আলোচনায় এসেছেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশেষ প্রতীক পরছেন মেসি।
২৫ মিনিট আগে
স্পেনের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য গোলকিপিংয়ে কেপ ভার্দেকে মূল্যবান এক পয়েন্ট এনে দিয়ে বিশ্বকাপের আলোচনায় উঠে এসেছেন ভোজিনিয়া। তবে ম্যাচ শেষে এই গোলরক্ষকের আবেগঘন এক মন্তব্যও সমানভাবে নাড়া দিয়েছিল ফুটবলপ্রেমীদের। ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যেতে পারেননি তাঁর মা। তবে সেই অপেক্ষার অবসান
১ ঘণ্টা আগে
বড় জয়ে বিশ্বকাপ শুরুর পর নিজের অনুপ্রেরণার কথা বলতে গিয়ে টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের নাম নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সেই মন্তব্যের জবাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্পেনের সাবেক বিশ্ব এক নম্বর টেনিস তারকা।
২ ঘণ্টা আগে
আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শুরুটা হয়েছে দারুণ। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র গরমও এখন লিওনেল মেসিদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কানসাসে বৃহস্পতিবারের অনুশীলনে বিশেষ ‘কুলিং ভেস্ট’ ব্যবহার করেছে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে