জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে সিরিজও হেরেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ খুইয়ে তামিম ইকবালদের এখন শুধু ধবলধোলাই হওয়াটাই বাকি আছে। দলের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো অবশ্য সিরিজ হারের মধ্যেও কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন।
ডমিঙ্গো মনে করেন, আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপের কাপের আগে এই সিরিজ হার থেকে নিজেদের ভুলভ্রান্তি শুধরে নেওয়ার সুযোগ আছে। তিনি বলেন, ‘ভাগ্য ভালো এসব ম্যাচে পয়েন্ট নেই। তবে অনেক কাজ করার বাকি। কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে দলের সবাই বড় একটা শিক্ষা পেয়েছে। আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ আছে। এর আগে দেড় বছর সময় আছে। আশা করি, আমাদের দুর্বলতার জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করতে পারব। আমরা এখন কোনো অজুহাত দিতে চাই না।’
সিরিজ হারের কারণ হিসেবে ডমিঙ্গো তার চোখে পড়া ভুলগুলো সামনে এনেছেন। তার মতে ক্রিকেটারদের চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারা, ভালো জায়গায় বল ফেলতে না পারা আর বাজে ফিল্ডিং বাংলাদেশের সিরিজ হারের কারণ। হারের ব্যাখ্যায় ডমিঙ্গো বলেন, 'দুটি ম্যাচেই (জিম্বাবুয়ে) ৬০ / ৩,৪০ / ৪ ছিল। ছেলেরা চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। বেশি আলগা বল করে ফেলেছে, ভুল ফিল্ডিংয়ে বল করেছে। ভুল অপশন বেছে নিয়েছে। তারা পরিশ্রম করছে অনেক, তবে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারছে না। এটিই সবচেয়ে হতাশাজনক। এমন হলে ভালো দল আপনাকে শাস্তি দেবেই।’
সিরিজ জেতায় প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়েকেও কৃতিত্ব দিতে ভোলেননি। টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করা সিকান্দার রাজার কথা বলেছেন আলাদা করে, ‘জিম্বাবুয়েকে কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে রাজাকে। দুটি দারুণ ইনিংস খেলেছে চাপের মুখে। প্রথম ম্যাচে হয়তো ২০ রান কম করেছি। আজও (গতকাল) ২০ রানের মতো কম করেছি। আর বিকেলে এমন স্কোর ডিফেন্ড করা খুবই কঠিন। তবে কোনো অজুহাত দিতে চাই না।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৩৪ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে