
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) দ্বন্দ্বের বলি হচ্ছে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম। এরই মধ্যে জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কাছে স্টেডিয়াম হস্তান্তর করেছে বিসিবি। কর্মরত বিসিবির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্টেডিয়ামে ব্যবহৃত সব মালপত্র ও যন্ত্রপাতি ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার পর স্টেডিয়ামটিতে বিসিবি আর কখনো ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিসিবি এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই দ্বন্দ্বে বগুড়ার ক্রীড়াবিদ, সংগঠকসহ ক্রিকেটপ্রেমীরা হতাশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকেরা স্টেডিয়ামের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
জানা গেছে, শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে খেলা আয়োজন নিয়ে স্থানীয় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে বিসিবির দ্বন্দ্ব পুরোনো। যদিও এই মাঠে নিয়মিত ক্রিকেটীয় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছিল ক্রিকেট বোর্ড। গত ১৭ বছরে এই স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ম্যাচ না হলেও জাতীয় লিগ (এনসিএল), বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল), যুব ক্রিকেট লিগ (ওয়াইসিএল), ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ আয়োজিত হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ টাইগার্সের বিশেষ অনুশীলন ক্যাম্পও হয়েছিল বগুড়ায়। কিন্তু দুদিন আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে বিসিবির বিরোধ চরমে ওঠে।
গত বৃহস্পতিবার বিসিবি চিঠি দিয়ে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামকে ক্রীড়া পরিষদের কাছে হস্তান্তরের কথা জানায়। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে বলা হয়, বিগত কয়েক বছর বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অসহযোগিতার ফলে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক নিয়মিতভাবে টুর্নামেন্ট/ক্রিকেট লিগ আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিসিবি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় দায়দায়িত্ব ক্রীড়া পরিষদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিসিবির পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে স্টেডিয়ামটির সংস্কার, উন্নয়ন বা আন্তর্জাতিক কোনো খেলা গত ১৬ বছরেও করতে পারেননি, সেটা আপনাদের অসহযোগিতা।’
এ বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন গতকাল আজকের পত্রিকাকে বললেন, ‘প্রতিবছর তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে ক্রিকেট আয়োজন করতে হয়। এবার তারা যেটা করেছে, আমরা যে শেখ কামাল ওয়াইসিএল করি, তারা এটা বন্ধ করে স্থানীয় লিগ করবে। তাঁর (মিলন) বোঝার ভুল আছে, স্টেডিয়াম জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে নয়, ক্রিকেট বোর্ডের নামে বরাদ্দ। এ কারণে ক্রিকেট বোর্ড এটির রক্ষণাবেক্ষণে লাখ লাখ টাকা খরচ করে। ১৬-১৭ জন মাঠকর্মী আছে, ম্যানেজার আছে। ক্রিকেট বোর্ডের লিগ বন্ধ করে তারা স্থানীয় লিগ আয়োজন করতে চাওয়ায় বিসিবি সভাপতি শুনেও অবাক হয়েছেন। মনে হয়েছে, বছরের পর বছর এভাবে ওখানে ক্রিকেটীয় কার্যক্রম চালাব না। এটা নিয়ে আমরা বিরক্ত, বিব্রত।’
বিসিবির বিরুদ্ধে মিলন যে গত ১৬ বছরেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন না করার অভিযোগ তুলেছেন, সেটি নিয়ে নিজাম উদ্দিন বলছেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন সম্পর্কে তাঁর হয়তো পরিষ্কার ধারণা নেই। চাইলেই আয়োজন করা যায় না। ট্রান্সপোর্ট, আবাসনসহ অনেক বিষয় আছে, যেটি একসময় ছিল বগুড়ায়। এখন সেখান থেকে তারা দূরে সরে এসেছে।’
তবে বগুড়ার ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে আবারও শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বিসিবির ক্রিকেটীয় কার্যক্রম ফিরবে। বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। বিসিবি এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থা আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে পারত। যাঁরা দায়িত্ব আছেন, তাঁরা চাইলেই খুব সহজে এ সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। এখনো সময় আছে। আলোচনার মাধ্যমে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামকে আবারও আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হোক।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
২১ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে