নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীতে ১৭ দিনের লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এসব কর্মসূচি চাল, ডাল, জ্বালানি তেল ও পরিবহন ভাড়াসহ সকল প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম ও নারায়ণগঞ্জের যুবদল নেতা শাওন প্রধানকে হত্যার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হবে।
আজ শনিবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওতাধীন মতিঝিল-পল্টন-শাহজাহানপুর থানার প্রতিবাদ সমাবেশের মধ্য দিয়ে লাগাতার কর্মসূচি শুরু হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল জানান, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বাদে প্রতিদিন ক্রমান্বয়ে রাজধানীর উত্তরা, সেগুনবাগিচা, পল্লবী, বাহাদুর শাহ পার্ক, জুরাইন, পোস্তগোলা, গুলশান, বাসাবো, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গীরচর, বাড্ডা, কলাবাগান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন জোনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হবে। এসব কর্মসূচিতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবে বলে জানান তিনি।
১১ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব-উত্তরখান-দক্ষিণখান (উত্তরা পূর্ব জোন), ১২ সেপ্টেম্বর শাহবাগ-রমনা (জোন-৩), ১৩ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম-তুরাগ-বিমানবন্দর-খিলক্ষেত (উত্তরা পশ্চিম জোন), ১৫ সেপ্টেম্বর পল্লবী-রূপনগর-ভাসানটেক (পল্লবী জোন), ১৬ সেপ্টেম্বর সূত্রাপুর-গেন্ডারিয়া-ওয়ারী-কোতোয়ালি-বংশাল (জোন-৬), ১৭ সেপ্টেম্বর মৌন অবস্থান কর্মসূচি, ১৮ সেপ্টেম্বর শ্যামপুর-কদমতলী (জোন-৮), ১৯ সেপ্টেম্বর বাড্ডা-ভাটারা-রামপুরা (বাড্ডা জোন), ২০ সেপ্টেম্বর খিলগাঁও-সবুজবাগ-মুগদা (জোন-২) এলাকায় কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
এ ছাড়াও ২১ সেপ্টেম্বর মিরপুর-শাহআলী-দারুসসালাম-কাফরুল (মিরপুর জোন), ২২ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী-ডেমরা (জোন-৭), ২৩ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরেবাংলা নগর (মোহাম্মদপুর জোন), ২৪ সেপ্টেম্বর লালবাগ-চকবাজার-কামরাঙ্গীরচর (জোন-৫), ২৫ সেপ্টেম্বর গুলশান-বনানী-ক্যান্টনমেন্ট (গুলশান জোন), ২৬ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি-কলাবাগান-হাজারীবাগ-নিউমার্কেট (জোন-৪) ও ২৭ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও-তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল-হাতিরঝিল (তেজগাঁও জোন) এলাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল।
প্রতিবাদ সমাবেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের বাংলাদেশের সামনে লেখা আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। এটা নাকি গণতন্ত্রের দেশ, প্রজাতন্ত্রের দেশ। অর্থাৎ এখানকার মালিক হচ্ছে জনগণ। অথচ এই দেশে আজকে যদি কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা হয়, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কেউ আন্দোলন করে, তাকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়। এটা কখনো গণতন্ত্র হতে পারে না।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমরা সেই গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই, যার জন্য আমরা লড়াই করেছিলাম ১৯৭১ সালে। আমাদের স্বপ্ন ছিল একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করব, যেখানে সব মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে, লেখার অধিকার থাকবে। যেখানে মানুষ একটা মুক্ত সমাজে বাস করতে পারবে। কিন্তু কী দুর্ভাগা আমরা, আজকে ৫০ বছর পরে আবারও অধিকারের জন্য প্রাণ দিতে হচ্ছে। এই আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে দেশের মানুষের ওপর তারা অত্যাচার, নির্যাতন করেছে।
হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালে যে ভূমিকা পালন করেছিল বর্তমান সরকার একই ভূমিকা পালন করছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এরা নারায়ণগঞ্জে অবৈধ চাইনিজ রাইফেল তাক করে গুলি করে শাওনকে হত্যা করেছে। এই হানাদার বাহিনীকে ক্ষমতা থেকে সড়াতে হলে আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। জনগণসহ সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
রাজধানীতে ১৭ দিনের লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এসব কর্মসূচি চাল, ডাল, জ্বালানি তেল ও পরিবহন ভাড়াসহ সকল প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম ও নারায়ণগঞ্জের যুবদল নেতা শাওন প্রধানকে হত্যার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হবে।
আজ শনিবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওতাধীন মতিঝিল-পল্টন-শাহজাহানপুর থানার প্রতিবাদ সমাবেশের মধ্য দিয়ে লাগাতার কর্মসূচি শুরু হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল জানান, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বাদে প্রতিদিন ক্রমান্বয়ে রাজধানীর উত্তরা, সেগুনবাগিচা, পল্লবী, বাহাদুর শাহ পার্ক, জুরাইন, পোস্তগোলা, গুলশান, বাসাবো, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গীরচর, বাড্ডা, কলাবাগান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন জোনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হবে। এসব কর্মসূচিতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবে বলে জানান তিনি।
১১ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব-উত্তরখান-দক্ষিণখান (উত্তরা পূর্ব জোন), ১২ সেপ্টেম্বর শাহবাগ-রমনা (জোন-৩), ১৩ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম-তুরাগ-বিমানবন্দর-খিলক্ষেত (উত্তরা পশ্চিম জোন), ১৫ সেপ্টেম্বর পল্লবী-রূপনগর-ভাসানটেক (পল্লবী জোন), ১৬ সেপ্টেম্বর সূত্রাপুর-গেন্ডারিয়া-ওয়ারী-কোতোয়ালি-বংশাল (জোন-৬), ১৭ সেপ্টেম্বর মৌন অবস্থান কর্মসূচি, ১৮ সেপ্টেম্বর শ্যামপুর-কদমতলী (জোন-৮), ১৯ সেপ্টেম্বর বাড্ডা-ভাটারা-রামপুরা (বাড্ডা জোন), ২০ সেপ্টেম্বর খিলগাঁও-সবুজবাগ-মুগদা (জোন-২) এলাকায় কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
এ ছাড়াও ২১ সেপ্টেম্বর মিরপুর-শাহআলী-দারুসসালাম-কাফরুল (মিরপুর জোন), ২২ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী-ডেমরা (জোন-৭), ২৩ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরেবাংলা নগর (মোহাম্মদপুর জোন), ২৪ সেপ্টেম্বর লালবাগ-চকবাজার-কামরাঙ্গীরচর (জোন-৫), ২৫ সেপ্টেম্বর গুলশান-বনানী-ক্যান্টনমেন্ট (গুলশান জোন), ২৬ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি-কলাবাগান-হাজারীবাগ-নিউমার্কেট (জোন-৪) ও ২৭ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও-তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল-হাতিরঝিল (তেজগাঁও জোন) এলাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল।
প্রতিবাদ সমাবেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের বাংলাদেশের সামনে লেখা আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। এটা নাকি গণতন্ত্রের দেশ, প্রজাতন্ত্রের দেশ। অর্থাৎ এখানকার মালিক হচ্ছে জনগণ। অথচ এই দেশে আজকে যদি কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা হয়, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কেউ আন্দোলন করে, তাকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়। এটা কখনো গণতন্ত্র হতে পারে না।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমরা সেই গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই, যার জন্য আমরা লড়াই করেছিলাম ১৯৭১ সালে। আমাদের স্বপ্ন ছিল একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করব, যেখানে সব মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে, লেখার অধিকার থাকবে। যেখানে মানুষ একটা মুক্ত সমাজে বাস করতে পারবে। কিন্তু কী দুর্ভাগা আমরা, আজকে ৫০ বছর পরে আবারও অধিকারের জন্য প্রাণ দিতে হচ্ছে। এই আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে দেশের মানুষের ওপর তারা অত্যাচার, নির্যাতন করেছে।
হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালে যে ভূমিকা পালন করেছিল বর্তমান সরকার একই ভূমিকা পালন করছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এরা নারায়ণগঞ্জে অবৈধ চাইনিজ রাইফেল তাক করে গুলি করে শাওনকে হত্যা করেছে। এই হানাদার বাহিনীকে ক্ষমতা থেকে সড়াতে হলে আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। জনগণসহ সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘জনগণ মেনে নেবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১ ঘণ্টা আগেসেলিমা রহমান বলেন, ‘আমরা একটি দুঃশাসন থেকে বের হতে পেরেছি। তবে এখনো দেশে স্বৈরাচারের দোসরের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে।’
১ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি—এই তিনটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘বৃহত্তর সুন্নি জোট’ আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগেগণঅধিকার পরিষদের সভাপতিকে দেখার পর আব্দুল মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে গতকাল রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সময় নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে তিনি আজকে আইসিইউতে ভর্তি আছেন। আপনাদের একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আমরা গণতন্ত্রে..
২ ঘণ্টা আগে